সিলেট: অসহ্য গরমে বিদ্যুৎহীন জনজীবন অচল! আর কত সহ্য করবে সাধারণ মানুষ?
বিদ্যুতের অবিরাম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার এলাকার সাধারণ মানুষ।
বাধ্য হয়ে ক্ষুব্ধ জনতা মেইন সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
দিনের পর দিন এই চরম ভোগান্তি নিয়ে বাস করছে মানুষ । দেশটায় কি সরকার নেই?
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত।
সুনামগঞ্জের জাউয়াবাজারে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় জনতা। সোমবার সন্ধ্যার পর সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে তাঁরা এই কর্মসূচি পালন করেন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, লোডশেডিংয়ের সময়সূচি জানানো হচ্ছে না এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২২ ঘন্টাই বিদ্যুৎ থাকছে না। এই চরম গরমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় বাধ্য হয়েই তারা প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছেন।
জাউয়াবাজারের ব্যবসায়ী জোসেফ আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এর ওপর ইদানীং প্রচণ্ড গরম পড়েছে। এই তীব্র গরমের মধ্যেও যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে, তবে মানুষ কীভাবে বেঁচে থাকবে?’
জনগণ বলছে, “আমাদের সিলেটে ১ ঘন্টা বিদ্যুৎ দিয়ে ২ ঘন্টা নাই! আর রাতে অতিরিক্ত বেশি লোডশেডিং হয়! আরামে ঘুমানোর উপায় নেই! আসলে আমরা সিলেটিরা বিরক্ত হয়ে গেছি! অন্যদিকে বিদুৎমন্ত্রী বলছেন লোডশেডিং হচ্ছে না তাহলে এইগুলো কি হচ্ছে?”
এমনকি এও তাঁরা বলছেন, “মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, মন্ত্রী পরিচয় বাদ দিয়ে সাধারণ জনগণ হয়ে সিলেটে আসুন, সার্কিট হাউস ছেড়ে সাধারণ মানের হোটেলে উঠুন,
তখন এইসব বড়গলায় মিথ্যা কথা বলা ছেড়ে দিয়ে মুখ লুকাবেন। তবে বিশ্বাস রাখি মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেবার সাহস আপনি দেখাবেন না”।
সমস্যা তো এখানেই শেষ নয়। যাদের বিল আসতো ৮০০-১৫০০ টাকা, তাদের বিল আসা শুরু করছে ৩৫০০-৪০০০ টাকা করে,
হঠাৎ করে বিল কেন দিগুণ-তিনগুণ হয়ে যাবে? বিদ্যুৎ নেই এদিকে বিল বেশি কেন ভুতুড়ে বিল কেন নেওয়া হচ্ছে?
