চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) পুকুরে ডুবে দুই হিন্দু শিক্ষার্থীর মৃত্যু আবারো গভীর প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।
বিষয়টা একটু নেড়েচেড়ে দেখা দরকার। গত ২ সপ্তাহ আগেও অর্ণব সাহা নামে এক ছাত্র মারা গেল আজ আবার ২ জন মারা গেল তাও হিন্দু কিন্তু কেন?? মনে হচ্ছে ভিতরে কোন রহস্য রয়েছে।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাসে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
নিহত শিক্ষার্থীরা হলেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের চমক দত্ত এবং একই বর্ষের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শান্ত দেব। তারা দুজনই সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা।
এই অকাল ও হৃদয়বিদারক মৃত্যুতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার স্তম্ভিত ও শোকস্তব্ধ।
ঘটনার পর প্রাথমিক উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল-সংলগ্ন পুকুরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, আজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে শান্ত ও চমক বন্ধুদের সঙ্গে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল-সংলগ্ন পুকুরে নাকি গোসল করতে নেমেছিলেন।
আর মাত্র ২০ মিনিটে অর্থাৎ দুপুর ১টা ২০ এর দিকে তারা পানিতে তলিয়ে যান।
প্রায় ১০ মিনিট পর চমককে উদ্ধার করতে পারলেও অপর শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে লেগে যায় প্রায় ৪০ মিনিট।
উদ্ধার পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাদের দ্রুত চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একের পর এক হিন্দু শিক্ষার্থীর মৃত্যু কোনো ভালো খবর নয়। যথেষ্ট সন্দেহজনক।
উল্লেখযোগ্য যে, ২৮ জুলাই একই পুকুরে ডুবে মারা যান যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা। সে ঘটনার রেষ কাটতে না কাটতেই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা!
হিন্দুদের বিনাশ করার কৌশল তো চলছেই। ফলে বিষয়টি নিয়ে সনাতনীরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
