ঢাকা: ব্যর্থ আশা! শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হতে পারলেন না সুদের কারিগর ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। এই জঙ্গী সোনার বাংলাদেশকে একদম ধ্বংস করে দিয়েছেন। অথচ এখনো তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ নেই, আওয়াজ নেই।
অনেকে মানে জামাত শিবির, রাজাকারদের এখন গাত্রদাহ হচ্ছে। বলছে, আহ্ বাংলাদেশ একটা সুন্দর রত্ন হারালো !
কিন্তু তিনি যে কী ছিলেন, তা দেশের জনগণ বলবে। এই বাংলাদেশকে তিনি কিছুই দেননি বরং নিয়েছেন।যার ১৮ মাসের শাসন ছিল পৃথিবীর নিকৃষ্ট শাসন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া বিচক্ষণতার লক্ষণ, বলছেন বিশ্লেষকরা।
যারা বাংলাদেশকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তাদের আশা ধূলিসাৎ।
জামায়াত শিবির রাজাকার আলবদর বট বাহিনীর সদস্য আমেরিকার খাস দালাল ইউনূস।
যাই হোক, রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। মনোনয়ন পাওয়ার পর দলের মহাসচিব ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।
নির্বাচিত হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন মির্জা ফখরুল।
তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তাকে কে শপথ পড়াবেন, সে নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।
বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলে তাঁর সংসদীয় কার্যাবলি ডেপুটি স্পিকার পরিচালনা করেন।
সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ বলছে , তৃতীয় তফসিলে উল্লেখিত সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব গ্রহণের আগে নির্ধারিত শপথ নিতে হয়। তৃতীয় তফসিলে রাষ্ট্রপতির শপথ পড়ানোর দায়িত্ব স্পিকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
তবে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে তো ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংসদের স্পিকারের কার্যাবলি পরিচালনা করছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তাঁকে শপথ পড়ানোর দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের ওপরই বর্তাবে।
