চট্টগ্রাম: জামাতির কারবার দেখুন!? আর দেখারই কী আছে? এদের চরিত্র তো দেশবাসীর জানার বাকি নেই!
মাদ্রাসায় হবে ধর্মশিক্ষা, থাকবে কোরান। অথচ এখন মাদ্রাসায় হয় অস্ত্র শিক্ষা, জঙ্গী শিক্ষা, ধর্ষণ, পাওয়া যায় সরকারি ধানের বীজ! কোথায় গেছে দেশটা!
দেশটা তো তাদের না। ভাড়াটিয়া হয়ে ধ্বংস কতভাবে করা যায় সেটা ৭১ থেকেই চালিয়ে আসছে।
ঘটনা চট্টগ্রামের। চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় একটি মাদ্রাসা থেকে কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন।
এই ধানের বীজগুলো কৃষকদের বিতরণের কথা ছিল, সেটা মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক তথা স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা বিতরণ করেননি। সেগুলো নিজের কব্জায় রেখেছেন, তাও মাদ্রাসায় যেন কারো সন্দেহ না হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের জামেউল উলুম মাদ্রাসা থেকে এই বীজ উদ্ধার করা হয়।
অভিযুক্ত জামাতির নাম শামসুল ইসলাম হেলালী, যিনি চরম্বা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং একইসঙ্গে মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবেও কর্মরত আছেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ গতকাল রুটিন পরিদর্শনে উক্ত মাদ্রাসাটিতে যান।
তিনি হঠাৎ সুপারের কার্যালয়ের পাশে একটি কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পেয়ে সেটি খুলে দেখার নির্দেশ দেন। কক্ষটি খোলার পর দেখা যায় ১৩ বস্তা আমন ধানের বীজ রয়েছে সেখানে।
দরিদ্র কৃষকের জিনিস মেরে খাওয়ার ধান্দা করেছিলো এই দেশদ্রোহী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী শফিউল ইসলাম জানান, প্রায় ২০ দিন আগে এই বীজ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য পাঠানো হয়েছিল।
চরম্বা ইউনিয়ন দূরবর্তী এলাকা হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের দুই প্রতিনিধির মাধ্যমে বীজগুলো সেখানে পাঠানো হয়েছিল, যা ১৫ দিন আগেই বিতরণ করার কথা ছিল।
শামসুল ইসলাম হেলালী দাবি করেন, কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য তাঁদের কাছে মোট ১৭ বস্তা বীজ দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে চার বস্তা তাঁরা বিতরণ করেছেন। বাকি বীজ তিনি মাদ্রাসাতেই রেখেছিলেন এবং ব্যস্ততার কারণে নাকি তা আর বিতরণ করা হয়নি।
ওরে মা গো! জামাতি ব্যস্ত দেশদ্রোহীতার কাজে!
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বায়েজিদ-বিন-আকন্দ জানিয়েছেন, উদ্ধারের পর বীজগুলো ইতিমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এবং মাদ্রাসা সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
