ঢাকা: একটা একেবারে খাঁটি সত্য কথা এখানে না বললেই চলছে না। শেখ হাসিনা যে এইসব রাজাকার আম্মারদের মতো জামাতি, শিবিরদের বাটামের উপরে রাখতেন কেন জানেন? এইতো আম্মারের বক্তব্যই স্পষ্ট।
আজ বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে যে কাজটা সে করেছে তা বোধহয় এক শত্রুও আরেক শত্রুর জন্য করবে না।
জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। তারা বলছে, “সে একটা ঘাতক। আম্মারের কথা বলার ভঙ্গিমা দেখবেন কতটা শয়তানি। নিজেকে অনেক বড় বোদ্ধা মনে করে”!
“এই শিবির যেভাবে বেয়াদবি করছে, সেটারও একটা লিমিট আছে, লিমিট ক্রস যারা করে, তাদের কেউ পছন্দ করে না”।
রিডিং রুমে ঢুকে শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জম্বি সালাউদ্দিন আম্মার গর্বের সাথে হুংকার দিয়েছিল। যাকে মারধর করেছে তাদেরকেই মামলা দিয়ে পুলিশে দিয়েছিল। আর এটা নিয়ে জামাত শিবির এনসিপি উল্লাস করেছিল। মনে আছে নিশ্চয়ই আপনাদের?
কত বড় জুলুম ছিল এটা, অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে সেই আহত শিক্ষার্থীকে আবার পিটিয়েছে এই জম্বি।
এর আগে ঢাবিতে একজন মানসিক রুগীকে এভাবেই পিটিয়ে হত্যা করেছিল এরা। তোফাজ্জল বেঁচে থাকলে তাঁকেও এই রাজাকার শাবকরা জেলে দিত।
আজ সে কী করেছে দেখুন?
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘বাকশাল’ নামে একটি গরুর প্রতীকী নামকরণ করে ‘জুলাইয়ের জিয়াফত’ আয়োজন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মার।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এই আয়োজন করা হয়।
আয়োজকদের দাবি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি এবং ১৯৭৫ সালের বাকশাল পতনের দিন স্মরণ করেই এই আয়োজন।
আম্মার বলছে, ১৫ আগস্ট দিনটাকে নর্মালাইজ করার জন্য এই আনন্দের আয়োজন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য গরুর মাংসের ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। আম্মারের কথা অনুযায়ী, প্রায় ৭৫০ জনের আয়োজন এটা।
রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি ও বাকশাল পতনের দিনটিকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই তাদের উদ্দেশ্য।
তাঁর ভাষ্য, মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের সব কর্মকাণ্ড ক্ষমাযোগ্য—এমন ধারণা সঠিক নয়।
১৫ আগস্টকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিশেষ আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে না রেখে ‘বাকশাল পতনের ঐতিহাসিক দিন’ হিসেবে স্মরণ করতে চায়, বলেও জানালো আম্মার।
আয়োজনের অর্থায়ন প্রসঙ্গে আম্মারের দাবি, এটি ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা হয়নি। দেশের বাইরে থাকা এক ব্যক্তি জুলাইয়ের আনন্দ উপলক্ষে একটি গরু উপহার দিয়েছেন। সেই গরু দিয়েই শিক্ষার্থীদের জন্য এ ভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
