ঢাকা: ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভাঙ্গাসহ দুর্নীতি, হামের টিকা নিয়ে শয়তানি,- ইত্যাদি জঘন্যতম অপরাধের তালিকা আছে জঙ্গী ইউনূসের বিরুদ্ধে।
জঙ্গী ইউনূসের হাতে দেশের মানুষের রক্ত,আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রক্ত লেগে আছে।
হাজার হাজার নেতাকর্মী হত্যা ও নির্যাতন, হিন্দু হত্যা, লাখ লাখ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে কারাবন্দী রাখা, নেতাকর্মীদের বাড়িঘর জমিজমা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল এবং ধ্বংস করা, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা ও নির্যাতন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকদের চাকরিচ্যুত করা এবং ধানমন্ডি ৩২ সহ একটা সাজানো গোছানো দেশকে ধ্বংস করে দেওয়া স্বৈরাচার দালাল হচ্ছে ইউনূস ।
এই দেশের মানুষ তাকে কোনোদিন ক্ষমা করবে না।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগের অনুসন্ধান এবং তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এই সমস্ত অপরাধের কারণে মব সন্ত্রাসের জনক ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মহসিন রশিদের পক্ষে ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলাম রেজিস্টার্ড ডাক ও কুরিয়ারযোগে ‘ডিমান্ড অব জাস্টিস’ নোটিশটি পাঠান।
নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, এসব অভিযোগের তদন্ত চলাকালে ড. ইউনূসের ‘দেশ ছেড়ে পালানোর প্রবণতা’ রয়েছে। এই কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তাকে ‘এক্সিট কন্ট্রোলে’ রাখার দাবি জানানো হয়েছে।
নোটিশটি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিএমপি কমিশনার এবং ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সরকারের ১০ জন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
নোটিশের বিষয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মহসিন রশিদ বলেন, ‘আমার পক্ষে নোটিশটি দেওয়া হচ্ছে যেন প্রফেসর ইউনূস দেশ ছেড়ে না পালাতে পারেন। তাকে ‘এক্সিট কন্ট্রোলে’ দেওয়া দরকার, যেন তিনি দেশেই থাকেন। কারণ তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আদালতে রুল ইস্যু করা আছে।’
উল্লেখযোগ্য যে, আইনি নোটিশে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ২১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তোলা হয়েছে।
নোটিশের বিষয়ে আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘আমাদের মূল দাবি হচ্ছে ইনকোয়ারি বা অনুসন্ধান। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দীর্ঘ অপরাধের তালিকা রয়েছে।’
