ঢাকা: হামলা চালিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়া হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান, গলা ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে!

দুচোখ ভর্তি জমাট বাঁধা রক্ত আর ক্ষতিগ্রস্ত কর্ণিয়া নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন চিকিৎসক। এই ঘটনা কোনো সভ্য সমাজের?

প্রধান অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানকে মেরে রক্তাক্ত করেছে একদল হামলাকারী। মারাত্মক জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এই হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করার তথ্য দিয়েছেন পল্টন থানার ওসি মোস্তফা কামাল খান।

রাজধানীর শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হয়ে সিএনজি অটোরিকশায় ওঠার সময় আচমকা সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন তিনি।

৪/৫ জন লোক অটোরিকশা থামিয়ে দেশি অস্ত্র দিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তাঁর মাথা, চোখ ও নাকে আঘাত লাগে।

৫৫ বছর বয়সি অধ্যাপক আসাদুর রহমান এখন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বরাতে পুলিশের কথা, একজন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার বন্ধু ও স্বজনরা এ হামলা করেছেন।

পল্টন থানার ওসি মোস্তফা কামাল খান বলেন, অধ্যাপক আসাদুরের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তবে অন্য এক সূত্রে ভিন্ন কথা জানা গিয়েছে।

৬ আগস্ট তাঁর কাছে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার চাঁদা দাবি করে বার্তা পাঠানো হয়েছিলো বলে জানতে পারা গিয়েছে। এবং সময় বেঁধে দেওয়া হয় ১৫ আগস্ট। আর এর দুই দিন পর ১৭ আগস্ট ঘটে হামলার ঘটনা।

ডেভিড ইমন বলে হয়তো কেউ‌ আছে, যার নাম জানা গেছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *