ঢাকা: মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। যার বেদনা বাংলাদেশেও আছড়ে পড়েছে।
কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মারা গিয়েছেন অনেকেই। সে খবর আমরা সকালেই দিয়েছি।
নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
এই আগুনে একজন সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারও মারা গিয়েছে।
‘আজকের পত্রিকা’ সংবাদপত্রের সাংবাদিক দেবাশিস দত্ত, তাঁর স্ত্রী ও ছোট্ট সন্তানেরও মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। যা ভীষণ শোকের।
দেবাশিসের স্ত্রী শিম্মিন। ছেলে স্বর্ণাশিস। তার বয়স ৩ বছর। বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে মঙ্গলবারই কলকাতায় যান। ধর্মতলার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে ওঠেন। রাতেই সব শেষ! কে জানতো এমন হবে!?
নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।
নিহতরা হলেন-
১. স্বর্ণাশিস দত্ত
জন্ম: ২০ ডিসেম্বর ২০২৩
পিতা: দেবাশিস দত্ত
ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।
২. আফসানা শিম্মিন
জন্ম: ৬ জানুয়ারি ১৯৯৯
পিতা: মো. আকরাম আলী
ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।
৩. দেবাশিস দত্ত
জন্ম: ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭
পিতা: দিলীপ কুমার দত্ত
ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।
৪. মো. আকরাম আলী
জন্ম: ১৬ জুন ১৯৬২
পিতা: ইয়াসিন আলী
ঠিকানা: থানাপাড়া, ৪, মনহুম বদরুদ্দোজা রোড, কুষ্টিয়া মডেল, কুষ্টিয়া হেড পোস্ট অফিস, কুষ্টিয়া।
৫. আহমেদ বাবু
জন্ম: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
পিতা: আদম আলী
ঠিকানা: বেগুনবাড়ি, সাভার, আমিনবাজার, ঢাকা–১৩৪৮।
তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বাকি চারজন নিহতের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি। তাদের পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশিদের বিষয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতার জন্য উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে।
