ঢাকা: বিশ্ব থেকে বাংলাদেশে যে কাপড়ের/ ফেব্রিক্স অর্ডার হচ্ছে দেশের গ্যাস সংকটের কারণে কোটি কোটি টাকার অর্ডার ক্যান্সেল হয়ে যাচ্ছে। আর কাঁহাতক?
এভাবে চলতে থাকলে দেশের শিল্পখাত ধংসে পরিণত হবে। হবে আর বলছি কী? হয়েই গেছে!
এক মাত্র শিল্প যা দেশের চাকা সচল ও মানুষের চাহিদা পূরণ করছে- গার্মেন্টস শিল্প, যা গ্যাসের উপরে নির্ভরশীল তা আজ হুমকির মুখে পড়েছে।
গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প কলকারখানা থেকে শুরু করে বাসাবাড়ির রান্নাকে পর্যন্ত বিপর্যস্ত করছে। সাথে বিদ্যুৎ সংকট। আর উপদেষ্টারা ব্যস্ত জাস্টিফাই করতে যে এইসবের দায় নাকি এই সরকারের না।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট পরিচালিত টার্মিনালে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
টার্মিনালটি কার্যক্রম শুরু করার কয়েকদিনের মধ্যেই আবারও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে আরেক দফা সংকট তৈরি হলো।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে সামিটের এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) থেকে প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
এটিসহ দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে গেছে। যেখানে জাতীয় পর্যায়ে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
দেশে একের পর এক বিপর্যয়। নিস্তার নেই।
দলের খাই খাই লোকদের খুশি করতে এতই ব্যস্ত যে এলএনজি সাপ্লাইকে নিরবিচ্ছিন্ন করার কথা মাথায় ছিল না সরকারের।
