ব্রাহ্মণবাড়িয়া: অপরাজনীতি, প্রতিহিংসার রাজনীতি শেষ হয়নি। অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু হিংসা শেষ হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নিখোঁজের দুইদিন পর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে নায়েব আলী (৬০) নামের স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার তথা ২১ আগস্ট দুপুরে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধজনগর গ্রাম থেকে নেতার লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নায়েব আলী ধজনগর গ্রামের মৃত আবদুর রহিমের ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

নিহতের পরিবারের দাবি, স্থানীয় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক বিরোধের জেরে নায়েব আলীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ডোবায় ফেলে রাখা হয়েছে। নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন তিনি।

নিহতের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মনির হোসেন জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ খাওয়া-দাওয়া শেষ করে অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মতোই বাড়ির পাশে নিজের কলাবাগানে যান নায়েব আলী। সাধারণত কিছুক্ষণ পর তিনি বাড়িতে ফিরে আসতেন। কিন্তু সেদিন রাতে আর ফেরেননি।

বাড়ি না ফেরায় গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খুঁজতে বের হন।

কলাবাগান ও আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজির সময় দেখা যায় নায়েব আলীর ব্যবহার করা টর্চ, লুঙ্গি, গামছা, বিড়ির প্যাকেট, গ্যাসলাইট এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে।

অবশেষে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশের কচুরিপানায় ভরা ডোবায় নায়েব আলীর মরদেহ পাওয়া যায়।

নায়েব আলী একজন সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ করতেন।

মাদক ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের শিকার হতে পারেন, এবং রাজনৈতিক বিরোধের শিকারও হতে পারেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *