মাগুরা: যেদেশে পুলিশকে পেটাতে কেউ ভয় পায় না, সে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে কিভাবে? ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর থেকে পুলিশের কোনো সম্মানও নেই, নিরাপত্তাও নেই।
পুলিশকে মারা যেমন সহজ হয়ে গেছে তেমনি বাস্তব হচ্ছে পুলিশও তেমনি তাঁদের কাজকর্মে যথেষ্ট গাফিলতি করা শুরু করেছে। আমরা চোখের সামনেই তো দেখছি।
যাই হোক, মাগুরায় দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ সদস্যকে চড় মারার অভিযোগে জেলা প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি নাঈমুজ্জামান নয়নকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এর আগে পুলিশ সদস্যকে থাপ্পড় দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।
শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত পুলিশ সদস্যের নাম হচ্ছে মো. ইমরান হোসেন। তিনি মাগুরা জেলা পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের বিপরীতে মাইক্রোস্ট্যান্ড এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
কনস্টেবল ইমরান হোসেনের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাঁকে হেনস্থা করেন নয়ন। কত্তবড় সাহস এদের।
মাগুরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন তাকে সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, নয়নের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক, অস্ত্র ও মাইক্রোবাস ছিনতাইসহ অনেক মামলা রয়েছে। সব গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
শহরের পিটিআই পাড়া এলাকায় এক মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘মব’ সৃষ্টি করে এক লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।
