ঢাকা: আমেরিকা জুলাই আন্দোলন দিয়ে এদেশে ঢুকেছে। তারপর তো সবার জানা।
তারেক রহমান এখানে ভেটো দিলে তার এতো সহজে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসা হতো না।
ইউনুস আর তারেক দুই জনই আমেরিকার সাথে কন্ট্রাক্ট করে দেশটাকে লিজ দিয়েছে।
এই পাপের অন্যান্য ভাগিদারদের মতোই একজন সমান ভাগিদার বিএনপি সরকার। এবং এই বিষয়ে ফায়সালা করার একমাত্র এখতিয়ার এখন তারই।
দেশের মানুষ না খেয়ে মরতে, তেল নেই, গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই, পানি নেই- আর এদিকে সরকার আরো বোয়িং কেনার জন্য আমেরিকার পায়ে পড়ে!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর জানিয়েছেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বোয়িং বিমান কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে এক্স হ্যান্ডেলে সার্জিও গোর উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ‘জবস’ প্রেসিডেন্ট। তিনি লাখ লাখ উচ্চ বেতনের চাকরি সৃষ্টি, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এবং আমাদের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রতিদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।
সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, এই সপ্তাহে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরও একটি অবিশ্বাস্য চুক্তি করেছেন। বাংলাদেশ আরও বোয়িং বিমান কেনার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা তাদের প্রাথমিক অর্ডার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আমাদের প্রেসিডেন্ট আমেরিকা এবং আমাদের অংশীদারদের আবার মহান করে তুলছেন।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি অনুযায়ী, আগেই যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্ৰতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই অনুযায়ী গত ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
এসব উড়োজাহাজ কিনতে খরচ হবে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা (১ ডলারে ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা হিসাবে)।
চলতে থাকুক!
