ঢাকা: অভিভাবকরা সাবধান! দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু পাচার এবং নিখোঁজের সংখ্যা। ২০২৬ সালের প্রথম ৭ মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ! কোথায় যাচ্ছে এই শিশুরা? কে তাদের চুরি করছে?

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, আর এখনও নিখোঁজ ২ হাজার ৩৮ শিশু।

পুলিশের তথ্যে বিশ্বাস নেই জনগণের। বলছে ২০৩৮ শিশু নিখোঁজ এখনো, তবে সংখ্যাটা আরো বেশি হবে।

শিশু পাচার চক্রের সদস্যরা ছদ্মবেশে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তৎপর রয়েছে।

২,০৩৮ শিশু এখনও নিখোঁজ—এই সংখ্যাটাই সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তোলার মতো। অভিভাবক হিসেবে আপনার আমার দায়িত্ব অনেক। আমাদের একটা ছোট ভুল হতে পারে বড় সর্বনাশের কারণ !

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য তুলে ধরে জাতীয় সংসদে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

রুমিন ফারহানা তো তবুও কথা বলেন এটা ওটা নিয়ে? অন্যরা কী করছে? দেখা যায় ওরা সংসদটাকে নাটকের মঞ্চ ভেবে বসেছে। সেখানে সেলফি তোলে, ভিডিও করে! দেশটা একটা রঙ্গমঞ্চে পরিণত হয়েছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত নিখোঁজ হওয়া শিশুদের মধ্যে এখনো দুই হাজারের বেশি শিশুর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ শিশুদের পরিবার তাদের সন্তানদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেন রুমিন ফারহানা।

সংসদে তিনি বলেন, আইনগত সংজ্ঞা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের সমর্থন, অনুমোদন বা সম্মতিতে কাউকে বেআইনিভাবে আটক করা হলে সেটিকে গুম বলা হয়।

কিন্তু শিশু নিখোঁজের ঘটনাগুলো সরাসরি গুমের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। তারপরও বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হওয়ায় তিনি সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, গত সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হয়েছে এবং এখনো দুই হাজারের বেশি শিশুর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এসব নিখোঁজ শিশুর পরিবার একটি সভার আয়োজন করে তাদের সন্তানদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *