ঢাকা: গোয়ার্তুমি এবং জামাতের পরামর্শে তারেক রহমান আরেকটা ভুল করলেন। তিনি যাবেন না ভারতে। যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব পড়তে পারে।
ব্রিকস লিডারস সামিটে (BRICS Leader’s Summit) অংশ নিতে নয়া দিল্লিতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর, কিন্তু শেষ মুহূর্তে জানা গেল, ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দেবেন না তারেক রহমান।
অনেক জোড়াতালি কথা শোনা গিয়েছিল, কিন্তু আদতে পরিপক্ক রাজনীতিটাই শেখেননি রহমান।
বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সাংবাদিক বৈঠক করে এই কথা জানান। এরপরে বিএনপি-র ফেসবুক পেজেও পোস্ট করা হয়।
ব্রিকস সামিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে যাবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা ছিল। তবে বৃহস্পতিবার সব জল্পনার অবসান করে সরকারের তরফে জানানো হয় যে ভারতে ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে যাবেন না।
এতে সবচেয়ে খুশি হয়েছে জামাত শিবির।
বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানকে নাকি আমন্ত্রণই করা হয়নি, বরং বিমস্টেকের চেয়ারম্যান হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই কারণেই তারেক রহমান ভারতে যাচ্ছেন না।
এমনকী, দেশের কোনও প্রতিনিধিও ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে যাবেন না বলেই জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিমস্টেক হল বঙ্গোপসাগরের সাত দেশের আঞ্চলিক জোট। এই জোটের সদস্য হল ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
