ঢাকা: লোডশেডিংয়ে অন্ধকার দেশ। গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই, জ্বালানি নেই, কারখানা বন্ধ, কাজ নেই- কিন্তু তারেক রহমান আছেন, জামাত আছে। ওরা বিন্দাস আছে!

এদিকে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আসা প্রায় বন্ধই। সব ভারত থেকেই আনতে হয়, কিন্তু গোয়ার্তুমি থাকে বাংলাদেশের। বিরাট গোয়ার্তুমি, বিরাট আত্মসম্মান। অথচ এদের মতো বাঁকা শিরদাঁড়া পৃথিবীর আর কোনো দেশের নেই।

একদিকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে গরম বাড়ছে, অন্যদিকে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস-সংকটে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

কয়লা সংকট কাটিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর পর আবার কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে ভারতের আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট। এতে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

ফলে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। জনগণ শ্বাস ফেলবে একটু শান্তিতে সে উপায় নেই।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন কমতে শুরু করে।

মোটামুটি এক মাস ধরে সীমিত উৎপাদনের পর গত মাসের শেষ দিকে কেন্দ্রটি ধীরে ধীরে উৎপাদন বাড়াতে শুরু করে।

তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে এক ইউনিট বন্ধ, ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই লোডশেডিং বাড়ছে। কারণ বিদ্যুৎ না দিলে আরো জ্বলবে কী করে?

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্যে দেখা যায়, ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পিক রাত ৯টায় আদানি থেকে বিদ্যুৎ এসেছে ১৪৩০ মেগাওয়াট। এবং এর দুই ঘণ্টা পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমতে শুরু করে।

গতকাল ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পিকে ৬৯১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এসেছে। আজ ৭০০ মেগাওয়াট এর কমবেশি বিদ্যুৎ আসছে। যেখানে বিদ্যুৎ আসতো ১২০০ থেকে ১৪০০ মেগাওয়াট।

মারাত্মক চাপে পড়েছে বাংলাদেশ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *