ঢাকা: বিদ্যুৎ নিয়ে এইদেশের মানুষ ক্লান্ত।
একটা দেশ কোন পর্যায়ে থাকলে এতটা লোডশেডিং হতে পারে?
একজন মা লিখছেন ফেসবুকে: “সারাদিন কারেন্ট কতবার যায় আসে সেই হিসাব রাখিনা, দিনের বেলাটা গাছ তলাতেও পার করা যায়।
কিন্তু এই তীব্র গরমে প্রতিটা রাত নির্ঘুম কাটাতে হচ্ছে, রাত প্রায় শেষের দিকে একটা ঘন্টাও ঘুমাতে পারিনি এভাবে কি মানুষের জীবন চলে,আমরা না হয় মানিয়ে নিলাম কিন্তু বাচ্চাদের কিভাবে রাখি, প্রতিরাতে ঘামতে ঘামতে আর ঘুমের অভাবে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে এর কি কোন সমাধান নাই”?
“২৪ ঘন্টায় ১৮ ঘন্টা কারেন্ট না থাকলেও বিদ্যুৎ বিল আসছে কয়েকগুণ বেশি”।
এদিকে, চার দিন বন্ধ থাকার পর ভারতের ঝাড়খন্ডে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট আবার চালু হয়েছে। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্র জানায়, বেলা ১টার দিকে কেন্দ্রটির দুই ইউনিট থেকে সম্মিলিত বিদ্যুৎ সরবরাহ ৮৫০ মেগাওয়াট ছাড়ায়।
সকালে সর্বোচ্চ প্রায় ৭৬০ মেগাওয়াট সরবরাহ হচ্ছিল। বিকেলে সরবরাহ ১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে।
কারিগরি ত্রুটির জন্যেই গত বুধবার রাত ১২টার দিকে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়।
এতে কেন্দ্রটির উৎপাদন ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং বেড়ে যায়।
কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বন্ধ ইউনিটটির বয়লারে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল।
রবিবার ভোরে মেরামত শেষে দুপুরে আবার উৎপাদন শুরু করা হয়।
এদিকে আরেক বিপত্তি দেখা দিয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট। এতে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে অর্ধেকে নেমে গিয়েছে।
ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লা চালিত। মাঝে কয়লাস্বল্পতায় উৎপাদন কমেছিল। এখন তো কয়লার মজুত রয়েছে। উৎপাদন হচ্ছিল ১১০০ মেগাওয়াটের বেশি। এখন এটি ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে গেছে।
কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।
