Oplus_131072

ঢাকা: ছেঁড়া স্যান্ডেল, ছেঁড়া জামা পরা ব্যক্তির আজ রং ঢং ই পাল্টে গেছে! এমনি এমনি!?

ওয়েস্টিনে হাঁসের মাংস খেতে যান এখন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

এক আসিফ মাহমুদ যদি ১১ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তাহলে বাকি উপদেষ্টারা কত হাজার কত কোটি টাকা লুটপাট করেছে?

এই দেশের মানুষ শান্তিতে সুন্দর করে জীবন যাপন করছিলো তখন কিছু মানুষরূপী সমন্বয়ক দেশের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে।

বাকি উপদেষ্টাদের তথ্য প্রমাণও বের হবে।এক প্লেট ভাতের মূল্য ১১ হাজার কোটি টাকা।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২ সেপ্টেম্বর অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানজির আহমেদ জানান, নতুন অভিযোগগুলো চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে।

ক্ষমতা থেকে সরতেই ভূরি ভূরি দুর্নীতির অভিযোগ। বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতে অভিযুক্ত জঙ্গী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন ১৭ মাসের অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টা।

আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুবাই, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়া-সহ বিভিন্ন দেশে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সুইস ব্যাঙ্কে অর্থ জমা রাখা ও বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘দুদক’।

তানজির আহমেদ বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন নিয়োগের ক্ষেত্রে বিপুল অঙ্কের ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়ার বিরুদ্ধে।

এছাড়া ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ প্রকল্প দুর্নীতি, বিভিন্ন দপ্তরে বদলি-পদোন্নতি, বাণিজ্য এবং বিভিন্ন সরকারি কাজের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ-সহ ক্ষমতার অপব্যবহারের আরও অনেক অভিযোগ খতিয়ে দেখছে কমিশন। তদন্তের মাধ্যমে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে ‘দুদকে’র তরফে জানানো হয়েছে।

তবে আসিফ তো সাধু সাজছেন এখন। এদেরকে দেখলেও সহজ চোখে ধরার উপায় নেই যে এরা কতটা ডাকাত আর দেশদ্রোহী।

রবিবার, রাজধানীর বাংলা মোটরে এনসিপির সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

পালটা অভিযোগ করেন, সংস্থায় সংস্কার না হওয়ায় ‘দুদক’ এখনও সরকারের আদেশে কাজ করছে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামি লিগের মিছিল সাধারণ জনগণের নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে দাবি তার। তিনি অভিযোগ করেন, এই বিষয়ে বিএনপি জোরালো ভূমিকা নিচ্ছে না।

তানজির আহমেদ বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি এবং ৩৬ জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়নে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে টেন্ডার বাণিজ্য এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০-৩০ শতাংশ কমিশন নেয়া হয় বলে অভিযোগ। নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের টেন্ডার বাণিজ্যের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক জানায়, একইভাবে ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আব্দুস সালামকে নিয়োগ দিয়ে ১০ কোটি টাকা উৎকোচ নেয়া এবং এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশীদ খানকে ৫২ কোটি টাকা ঘুসের বিনিময়ে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুল লতিফ খানকে ৬৫ কোটি টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদ হেলিকপ্টারে ভ্রমণ করে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় করেছেন। হোটেল ওয়েস্টিনসহ পাঁচ তারকা হোটেলে নিয়মিত যাতায়াত, বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস ও গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *