ঢাকা: আসিফ নজরুল হচ্ছে এক নম্বর ভারত বিদ্বেষী। ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চান তিনি।
এই ভারত বিদ্বেষী বাংলাদেশেরও ভালো চায় না। চরম দেশদ্রোহী একজন ব্যক্তি।
–২৬ লক্ষ ভারতীয় নাকি বাংলাদেশে চাকরি করেন? আজ অবধি সেই হিসাবটা দিতে পেরেছেন তিনি?
তাঁর জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট অর্ধেক ধ্বংস।
সবাই জানেন, গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারত যায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ভয় দেখিয়ে দেখিয়ে যেতে দেননি আসিফ নজরুল। সেটা তো অনেক আগেই প্রকাশ হয়েছে।
সে সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা ও যথার্থতা নিয়ে তখনও প্রশ্ন উঠেছিল। ক্রিকেটারদের কেউ প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি যদিও আসিফ নজরুলের কথাবার্তায় সব পরিষ্কার ছিলো।
তবে পরে ক্রিকেটার ও কোচদের কেউ কেউ পরিষ্কার জানিয়েছেন, ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপ খেলার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু সরকার ও বিসিবি না চাওয়ায় দল ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে পারেনি।
তখন ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ পরিচালনায় ছিল। সে সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ নজরুল। আর বিসিবি সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
শুধু ভারতে নিরাপত্তা নেই এমন একটা আতঙ্কের বোমা ঢুকিয়ে ভারতে যেতে দেয়া হয়নি।
ঘটনাটা ছোট নয়। একটা পূর্ণাঙ্গ টেস্ট খেলিয়ে দেশ হিসেবে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারত না যাওয়াকে নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
দেশ বিরোধী আসিফ নজরুল শেখ মুজিবর রহমানের নাম চিরকালের জন্য নিশ্চিহ্ন করে, একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস সম্পূর্ণ মুছে ফেলে, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের ওপর কালি ঢেলে, ২ লক্ষ ধর্ষিতা নারীর মুখে থুতু ছিটিয়ে স্বাধীনতার শত্রুদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন শুধুই ব্যক্তিগত লোভ এবং লাভের জন্য, হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য।
শিবির আর হিযবুতি জঙ্গি-জিহাদিরা দেশকে গণধর্ষণ করছে, আর তিনি পাহারা দিয়েছেন। তাদের যেন কোনও ক্ষতি না হয়, তারা যেন ধরা না পড়ে, আইন যেন তাদের পক্ষে থাকে।
রাজাকার, কুলাঙ্গারদের তালিকায় নাম লেখা থাকবে আসিফ নজরুলের।
