ঢাকা: ভয়াবহতার রূপ কেমন হয় সেটা হাসপাতালে না গেলে বুঝা যায় না। এক একটা পরিবারের চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ।
যা নিয়ন্ত্রণ করা যায় বা যেতো সেটার জন্য সেরকম কোন পদক্ষেপ কি নেওয়া হয়েছে? সরকার কি মেরে ফেলতে চায় দেশের মানুষকে? তাই তো মনে হচ্ছে।
হাসপাতালগুলো তে তিল পরিমাণ ঠাঁই নেই, সীট খালি নেই।
এখন পর্যন্ত অসংখ্য হামে আক্রান্ত রোগীও আছে হাসপাতালগুলোতে কিন্তু যাদের কারণে এই মহামারি তাদের জবাবদিহিতা নেই।
নতুন করে যুক্ত হয়েছে নিউমোনিয়া, ডেঙ্গু৷ এই নিউমোনিয়া মারাত্মক পর্যায়ে চলে যায় সেখানে হাসপাতালে না গিয়ে উপায় নেই, সেখানেও বিপর্যয়। হাসপাতালে সীট খালি নেই।
মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার ফলাফল কি?
হাসপাতালে তিল ধারণের জায়গা নেই। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নির্ধারিত শয্যার বাইরে মেঝে ও বারান্দায় রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
কোথাও কোথাও একটি শয্যায় একাধিক রোগীকে রাখার ঘটনাও ঘটছে। এর মধ্যেই এক দিনে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তির সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি শয্যায় অনেক রোগীকেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এই হচ্ছে দেশের হাসপাতালগুলোর অবস্থা।
এতে রোগীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ওষুধ দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালেও নির্ধারিত সক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ায় শয্যা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। গুরুতর রোগীদের নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন স্বজনরা।
মাতুয়াইলের বাসিন্দা নুরজাহান বেগমের ২০ বছর বয়সী নাতনি জাহিন এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ডেঙ্গুতে ভুগছেন। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার চেষ্টা করেন স্বজনরা।
নুরজাহান বেগম বলেন, তিন-চারটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ঘুরেও শয্যা পাননি। শেষ পর্যন্ত মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় জাহিনকে। তবে শয্যা না থাকায় মেঝেতেই তার চিকিৎসা চলছে।
