ঢাকা: ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আবারও ভারত থেকে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করেছে বাংলাদেশ—প্রায় ৪৭ লাখ লিটার!
প্রশ্ন তো অবশ্যই আছে রাজাকার, পাকিদের জন্য।
এই ডিজেল কি বাংলাদেশের সবার ব্যবহারের জন্য, নাকি শুধু সেই ‘নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর’ জন্য, যারা প্রয়োজনের সময় ভারতের জ্বালানি ব্যবহার করবেন, আর সুযোগ পেলেই ভারতবিরোধী স্লোগান দেবেন?
আসলে ওরা বেছে বেছে জিগির তোলে। সবসময় সবক্ষেত্রে না।
রাজনীতির কথায় আর বাস্তব জীবনের প্রয়োজনে—দুটো কি দুই মেরুর গল্প?
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপোতে এসে পৌঁছেছে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন বা ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর অপারেশন ম্যানেজার রবিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, রবিবার তথা ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় ডিজেল হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
উল্লেখযোগ্য যে, এই নিয়ে আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড কেন্দ্র থেকে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭২ ধাপে এলো ডিজেল।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এই ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন।
২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে ১৫ বছরের জন্য প্রায় ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির একটি চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তির ভিত্তিতেই ভারত থেকে বাংলাদেশে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি ডিজেল পাঠানোর ব্যবস্থা তৈরি করা হয়।
শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করেননি বরং দেশ বাঁচিয়েছেন। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ এই পাইপলাইন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
