ঢাকা: দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দিন দিন শোচনীয় হচ্ছে।

দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত—তৈরি পোশাক শিল্প বর্তমানে নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পোশাক আমদানি বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আগের চাইতে আরও দুর্বল হয়েছে।

২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুলাই সময়ে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি গত বছরের এই একই সময়ের তুলনায় ১৩.৬৫% কমেছে। এবং একই সময়ে ইইউর সামগ্রিক পোশাক আমদানিও কিন্তু কমেছে। তবে কমার হার ছিল ৫.১০ শতাংশ।

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুলাইতে ইইউ বাংলাদেশ থেকে ১৯৯৯ মিলিয়ন ইউরোর পোশাক আমদানি করে।

এবং ২০২৬ বছরের জানুয়ারি-জুলাইতে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৭২৬ মিলিয়ন ইউরোতে। অর্থাৎ রপ্তানি আয় কমেছে।

একই সঙ্গে পোশাকের রপ্তানি পরিমাণও কমেছে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

অন্যদিকে একই সময়ে ইইউর মোট পোশাক আমদানির মূল্য ৫৪ হাজার ৩৮৮ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন ইউরো থেকে কমে ৫১ হাজার ৬১৩ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে। আমদানির পরিমাণ কমেছে ৩.২৩ শতাংশ।

বাংলাদেশের রপ্তানি সবচেয়ে বেশি কমে যাওয়ার ছবিটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান অফিসের (ইউরোস্ট্যাট) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।

বুধবার প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে চীন, বাংলাদেশ, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ৫ হাজার ১৬১ কোটি ৩৭ লাখ ইউরোর তৈরি পোশাক আমদানি করেছে ইইউয়ের বিভিন্ন ক্রেতা প্রতিষ্ঠান।

এই আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫. ১০ শতাংশ কম।

বিকেএমইএ নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, “সামগ্রিকভাবেই রপ্তানি অবস্থা ভালো নয়। গত অর্থবছরে আমাদের পোশাক রপ্তানি ২ শতাংশের মতো কমেছে। বিশ্ব পরিস্থিতি অনুকূলে নয়; অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিও ভালো নয়। গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নানা সমস্যা। এ অবস্থায় আগামী দিনগুলো কেমন যাবে, বুঝতে পারছি না।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *