ঢাকা: জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে আজ ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এবং আগামি ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এটি সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম ভাষণ হবে।
এ সফরে তাঁর সঙ্গে থাকছেন ৩৫ জন।
জাতিসংঘের যোগ দিতে মাত্র ৯৬ ঘণ্টা যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন তারেক রহমান। জাতিসংঘ সংক্রান্ত অনুষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো কর্মসূচিতেও তিনি অংশ নিতে পারবেন না এবং কোন অনুষ্ঠানের ২০০ গজের বাইরে যেতে পারবেন না।
এটা একদম সাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। চামচাগিরি করেও, দেশ বিক্রি করেও,ইউনূসের পায়ের নিচে থেকেও কোনো ফায়দা নেই।
তিনি বিএনপির দেয়া সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না, সংবাদ সম্মেলনেও অংশ নিতে পারবেন না। তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রে এখনো নিষিদ্ধ।
তাঁর সফর পরিকল্পনা ছিল ৭ দিনের। কিন্তু সেটা নেমে এসেছে। নিষেধাজ্ঞা ওঠানোর চেষ্টা ছিল খলিলের।তারেক রহমান ভেবেছিলেন ইউনূস ওঠানোর ব্যাপারে ভূমিকা রাখবে।এমনকি ক্ষমতায় বসানোর আগে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা ওঠেনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন ৩৫ জন।
এর মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকছেন। আর জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও নিউইয়র্কের স্থায়ী প্রতিনিধি সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগ দেবেন।
জাতিসংঘে প্রতিনিধি দলের নিরাপত্তার বিষয়ে সচিব বলেন, ‘নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আপনারা জানেন যে সফররত প্রতিনিধিদের নিরাপত্তার বিষয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বের ওপরও বর্তায়।
সুতরাং আমরা যুক্তরাষ্ট্রের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনার মধ্যে রয়েছি, যাতে সকলের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।’
নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন।
