ঢাকা: ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র জেল-জুলুম দিয়ে সংগ্রামী চেতনা কখনো কী স্তব্ধ করা যাবে?
এক একটা গ্রেপ্তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার একটি প্রচেষ্টা। অন্যায়ের কাছে মাথা না নোয়ানো আপসহীন নেতৃত্বকে গ্রেপ্তার করে সরকার আসলে কী প্রমাণ করতে চায়?
এই প্রশ্ন আমাদের না, জনগণের।
সন্দ্বীপের গণমানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য দ্বীপরত্ন মাহফুজুর রহমান মিতাকে অন্যায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জনগণ তার মুক্তির দাবি জানাচ্ছে।
সন্দ্বীপের মাটি ও মানুষের কণ্ঠ—মাহফুজুর রহমান মিতা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন নেতার প্রতি যেকোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। তাই নয় কী?
আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের গুলশান বিভাগ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে গুলশান-২ এলাকার ৪৩ নম্বর রোডের একটি বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার ডিবি গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার আ ফ ম আনোয়ার হোসেন খাঁন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রাতে মাহফুজুর রহমান মিতাকে গুলশান-২ এলাকার ৪৩ নম্বর রোডের ২৯ নম্বর বাসায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বর্তমানে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে হেফাজতে আছেন। আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার মাহফুজুর রহমান মিতা চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থানার একাধিক মামলার আসামি।
