ঢাকা: বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে রাজধানীর গুলশানস্থ ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে (আইজিসিসি) উদযাপন করা হয় ১১তম আয়ুর্বেদ দিবস।
অনুষ্ঠানটি একাডেমিক পর্ব, কর্মশালা এবং সাংস্কৃতিক পর্বের সমন্বয়ে সাজানো হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন ও ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
‘আয়ু’ মানে জীবন এবং ‘বেদ’ মানে জ্ঞান বা বিজ্ঞান; অর্থাৎ আয়ুর্বেদ হলো জীবনের বিজ্ঞান।
এর মূল লক্ষ্য হলো এটি শুধু রোগ নিরাময় নয়, বরং শরীর, মন এবং আত্মার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে সুস্থ জীবনযাপন ও রোগ প্রতিরোধের ওপর জোর দেয়।
ভেষজ চিকিৎসার ওপর এর গুরুত্ব বেশি।
উক্ত অনুষ্ঠানের একাডেমিক পর্ব সাজানো হয় তথ্যবহুল কর্মশালার মধ্য দিয়ে।
বাংলাদেশের চারটি ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও আয়ুর্বেদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, জীবনধারা-ভিত্তিক চিকিৎসা (লাইফস্টাইল মেডিসিন) এবং টেকসই স্বাস্থ্য চর্চার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালা পরিচালনা করেন নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ুর্বেদ মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. বাবুল আক্তার এবং নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মামুন মিয়া।
পরে বাংলাদেশি শিল্পী মিস শাহিন সোবহানা সুরভীর তৈরি পশমের ‘গণপতি ট্যাপেস্ট্রি’ (দেয়ালসজ্জা)-র প্রতীকী উদ্বোধন করা হয়।
এই বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো—‘সুস্থ আগামীর জন্য আয়ুর্বেদ’।
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় ও বাংলা খেয়াল সঙ্গীতশিল্পী এবং সঙ্গীত প্রশিক্ষক রঞ্জন চন্দ্র সরকার হৃদয়স্পর্শী সঙ্গীত পরিবেশন করেন।
