মানিকগঞ্জ: দেশে গণধর্ষণ ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। যার জন্য দায়ী সরকার এবং বিচার ব্যবস্থা। কারণ সরকার ও আইন কঠোর হলে কোনো পুরুষ এই পৈশাচিক কাজ করার সাহস পাবে না।
ঘটনা মানিকগঞ্জের। সিংগাইরে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে সারা শরীরে, চোখে মুখে মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনায় থানায় অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের জৈল্যা গ্রামে এই বিভৎস ঘটনা ঘটে।
গণধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর তার চোখ-মুখ ও সারা শরীরে শুকনো মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করে সিংগাইর থানায় মামলা করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের জৈল্যা গ্রামের ওই গৃহবধূ রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হয়েছিলেন।
টয়লেট থেকে বের হওয়ার পর ওঁৎ পেতে থাকা পাঁচজন মুখোশধারী তার মুখ চেপে ধরে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে পার্শ্ববর্তী মোস্তফার কৃষিজমির সেচপাম্পসংলগ্ন ড্রেনের দিকে নিয়ে যায়।
তাদের কাছে ধারালো অস্ত্র ছিলো। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে ঐ নারীকে গণধর্ষণ করে পিশাচেরা।
প্রায় এক ঘণ্টা পর ধর্ষকরা কাপড় ও ওড়না দিয়ে তার হাত-পা বেঁধে পাশের একটি জমির আইলে ফেলে রেখে চলে যায়।
গৃহবধূর আর্ত চিৎকার শুনে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
অভিযুক্তদের বয়স আনুমানিক ১৫ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। অর্থাৎ ঐ দলে কিশোরও ছিলো।
তবে এখন অবধি কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
