ঢাকা: পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নাম মুছতে কিন্তু পারেনি ২৪ এর রাজাকাররাও মুছতে পারবেনা।

লম্ফঝম্ফ তো অনেক দেখলাম জীবনে, কিন্তু সত্য সবসময় সূর্যের মতো জ্বলন্ত‌। সত্যের দিকে তাকানো কঠিন। কিন্তু সত্য সত্যই।

ইতিহাস মোছে না। এই কট্টরপন্থী, ভারত বিরোধী হাইপ তোলা হাদি, পানি চাই মুগ্ধ এদের নাম মুছে যাবে কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নাম মুছবে না এই বাংলাদেশ থেকে। এটাই চিরসত্য।

এবার রাজাকারের দল দাঁত নখ বের করেছে আবার। বঙ্গবন্ধুর নামে তাদের জ্বর আসে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা মুছে আবারো ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখার ঘটনায় গায়ে আগুন লেগেছে ডাকসুর। এর প্রতিবাদ জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।

শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে হলটির নাম পরিবর্তনের দাবি জানায় সংগঠনটি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলপাড়ায় ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলীর আহ্বানে প্রতিবাদ ও সংবাদ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আল সাবা বলেন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শহীদ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর হলটির অধিকাংশ শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসের অনেক শিক্ষার্থী তার নামে হলটির নামকরণের দাবি জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম সরানোর দাবিও ওঠে।

তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের নাম শেখ মুজিবুর রহমানের নামে থাকা শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মনে করেন।

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বেশ চালাকি করে বলেন, শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটের ভিত্তিতেই তারা এ বিষয়ে কথা বলছেন। শেখ মুজিবুর রহমানের নামে হল থাকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আপত্তির অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার কথা উল্লেখ করেন।

তার ভাষ্য, অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিলে তাদের ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে তারা বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও অস্বস্তির মুখে পড়বেন বলে তিনি দাবি করেন।

অর্থাৎ হয়রানি যে এরাই করবে, তা ঘুরিয়ে বললো। তখন যেন কেউ তাদের দায়ী না করে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *