ময়মনসিংহ: জীবনে দুঃখ নেই, কষ্ট নেই, পরিতাপ নেই- শুধু আনন্দ আছে- নারীকে ধর্ষণ করে ইমামরা মহানন্দে জীবন কাটাচ্ছে! বললেই বলবে ইসলামবিরোধী কথা!
ইসলাম কি এই শিক্ষা দেয়? ধর্মের সদাগররা এখানে ওখানে গিয়ে নারীর ওপর দাঁত নখ বের করে ঝাঁপিয়ে পড়ছে! রাষ্ট্র অন্ধ। গ্রেপ্তার হলেও এইসবের কোনো বিশ্বাস নেই।
এবার ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত ৩০ বছর বয়সি এক শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ করেছে পাষণ্ড রুবেল মিয়া (৩২)। তাঁকে গ্রেফতার করেছে নান্দাইল থানা পুলিশ।
ঘটনায় তীব্র ঘেন্না ছুঁড়ে দিয়েছেন তসলিমা নাসরিন।
তিনি ফেসবুকে লিখেছেন:
“খুব ঘেন্না লাগে এইসব পুরুষের কথা ভাবতে, এদের দিকে তাকাতে। এদের শৈশব কৈশোর কাটে মাদ্রাসায়, এদের যৌবন কাটে মসজিদে। মাদ্রাসা আর মসজিদ এইসব অমানবিক, হিংস্র, বর্বর, ধর্ষক আর কুলাঙ্গার তৈরি করছে। দেশের শাসকরা কি সমাজকে সুস্থ করার কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে? অবশ্যই না”!
রুবেল মিয়া উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে এবং চৈতনখালি মসজিদের ইমাম।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে বীর বেতাগৈর ইউনিয়নের একটি বৃদ্ধাশ্রমে এই পৈশাচিক ঘটনাটি ঘটে।
আমরা অবাক হয়ে যাই কেবল, এদের কী বিবেক বলতে কোনো কিছুই নেই? মাথাভর্তি নোংরামি নিয়েই তো এরা জীবন পার করে দিচ্ছে।
বৃদ্ধাশ্রমের পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর রুবেল মিয়া গোপনে বৃদ্ধাশ্রমের ভেতরে ঢুকে একটি ঘরে প্রবেশ করে।
সেখানে প্রতিবন্ধী নারীর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে সে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী নারী চিৎকার শুরু করলে বৃদ্ধাশ্রমের অন্যান্য বাসিন্দারা এসে রুবেলকে ধরে ফেলেন।
তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে তালা মেরে আটকে রাখা হয়। খবর দেয়া হয় পুলিশে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে, ধর্ষক রুবেল মিয়া সাফাই গাওয়া শুরু করেছে। সে নাকি আশ্রিতদের সেবা করার জন্য বৃদ্ধাশ্রমে প্রবেশ করেছিলো!
ধর্ষণকে অবশ্য এরা সেবা করাই বলে!
