ঢাকা: আবারো দেশে হিন্দু মৃত্যুর ঘটনা! তবে ঘটনাগুলোকে আত্মহত্যাই বলা হচ্ছে। আসল সত্য কী তা নিয়ে সন্দেহ তো আছেই।
আত্মহত্যা না হয়ে হত্যা হলেও আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হয়। কে কী বলবে? রাজা তাদের, রাজত্ব তাদের! সনাতনীরা তো এই দেশে প্রজার মর্যাদাও পায় না, আর বিচার চাইবে কার কাছে?
ঢাকার কেরানীগঞ্জে প্রেমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বাথরুমে আত্মহত্যা করেছেন তাঁর প্রেমিকা।
এমনটাই বলা হচ্ছে।
নিহতরা হলেন আকাশ মিত্র (৩৬) এবং তন্ময়ী মণ্ডল (২৯)। তন্ময়ী ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে আকাশ মিত্র হক কোম্পানিতে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন।
হাসপাতালটির ‘মর্গে প্রেমিকের লাশ দেখে আত্মহত্যা করেন’ বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সোমবার তার লাশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান।
তন্ময়ী মন্ডলের বাড়ি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায়।
ঋণের চাপে নাকি তাঁরা আত্মহত্যা করেছেন- বলা হচ্ছে এমনটা। এর আগেও এমন ঘটনা আমরা দেখেছি। যেখানে হত্যাকাণ্ডকে বলা হয়েছে ঋণের চাপে আত্মহত্যা।
আকাশ নাকি একটি চিরকুটে লিখে যান, ‘পৃথিবী ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করে না, কিন্তু টাকা নেই।’
চিরকুটটা কার হাতের লেখা? আকাশের হলেও তাকে চাপ দিয়ে দেখানো হয়েছে কিনা এইসব কিচ্ছু জানা যায়নি এখনো।
শাহবাগ থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, সোমবার সকালে ঢামেক হাসপাতালের নিচতলার একটি বাথরুম থেকে তন্ময়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তার পরিচয় পাওয়া না গেলেও পরে তার বোন তন্দ্রা মণ্ডল ঢামেক মর্গে এসে লাশ শনাক্ত করেন।
ঢামেক হাসপাতালে কর্মরত প্লাটুন কমান্ডার মো. শাহদাদ জানান, হাসপাতালের নিচতলায় ১১০ ও ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝে একটি বাথরুমে পানির পাইপের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তন্ময়ীকে দেখতে পান। শাহবাগ থানার পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন।
বাথরুমে ছুরি ও ভ্যানিটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। দেওয়ালে রক্ত লেগে আছে বলেও জানান তিনি।
এই দুই ঘটনায় পৃথক থানায় দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
