ঢাকা: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে চুনকালি মাখাতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে ই/তর, পাকিস্তানি পিশাচ আয়াস।
জন্মটা মানুষের ঘরে হলেই যে মানুষের মতো বিবেক, রুচি আর শিক্ষা থাকবে, তার তো কোনো নিশ্চয়তা নেই!
এর আগেও এই জুলাই জঙ্গী বিভিন্ন অপকর্ম করেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু একজন কবি নন, তিনি আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বাঙালির আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর প্রতিকৃতির অবমাননা কোনোভাবেই সুস্থ মানসিকতা কিংবা সভ্য আচরণের পরিচয় হতে পারে না।
তবে গ্রেপ্তারই যেন শেষ কথা না হয়। এটা জনগণের দাবি। এই ধরনের অশোভন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের জন্য আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থাও করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ জাতির মনীষীদের অবমাননা করার আগে অন্তত দুবার ভাবতে বাধ্য হয়।
শিল্পকলা এলাকায় এই হট্টগোলের সময় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে চুনকালি মাখানোর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাদের আটক করা হয়।
আয়াস আটককৃতরা হলেন- রাষ্ট্রচিন্তার সদস্যসচিব আয়াস, সংগঠনটির সদস্য সাকিবুল, সুজন মিয়া, নারজিয়া খন্দকার রিমি।
আয়াস একজন জুলাই জঙ্গী। এর আগে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবের বাড়ি দেখতে ও সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসা ব্যক্তিদের মারধর ও হয়রানির অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
আয়াসসহ চারজনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার এসআই খালেক। তিনি জানান, ‘আটককৃতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ এবং একজন নারী।’
বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্র চিন্তা নামে একটি সংগঠনের কর্মীরা শিল্পকলার সামনে যান। পরে তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে চুনকালি মাখান। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে সেখানে থাকা লোকজনের সঙ্গে রাষ্ট্রচিন্তার আয়াসের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ যায়। এরপর পরিস্থিতি শান্ত করতে চারজনকে গাড়িতে তুলে থানায় নেওয়া হয়।
রবীন্দ্রনাথের মুখে চুনকালি দিয়ে কি বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনাকে মুছে ফেলা যাবে?
এর আগেও গোপালগঞ্জের বিক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ এবং নেটিজেনরা তাকে “উ*গ্র*প*ন্থী” আখ্যা দিয়ে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছিলেন।
