ঢাকা: সব জিনিসের দাম বেড়েছে। হা হুতাশ অবস্থা জনগণের।

চিনির কেজি গিয়ে ঠেকেছে ১২০ টাকায়, এই ছিল জনগণকে দেয়া আপনার “স্বস্তি”, জনাব তারেক রহমান?

আই হ্যাভ প্ল্যান এটাই।

দোকানদার যেমন ইচ্ছা তেমন দাম নেয়। জবাবদিহির ঝামেলা এড়াতে এখন প্যাকেট কেটে খোলা চিনি বিক্রি করছেন অনেকেই। এটাই এখন রাজধানীর বাজারের চিত্র।

সরকারের নির্ধারিত দামের কোনো দামই নেই, আর সরকারের কারও এ নিয়ে মাথাব্যথা আছে বলেও মনে হয় না।

চিনির সঙ্গে সয়াবিন তেলও একই পথে।

বিক্রেতারা বলছেন পরিবহন খরচ বেড়েছে, লোডশেডিংয়ে ডিজেলের জেনারেটর চালাতে হচ্ছে। অর্থাৎ বিদ্যুৎ নেই, গাড়িভাড়া বাড়ছে, বাজারে নিয়ন্ত্রণ নেই। এই তিন সংকটের কোনোটাই রাতারাতি আসেনি, কিন্তু সামলানোর দায় কিন্তু সরকার নিচ্ছে না।

এখন নাকি ১০ হাজার টন চিনি কিনবে সরকার।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি কেনার দুটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। মোট ব্যয় হবে ১০৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রতি কেজি চিনি কেনা হবে ১০২ টাকা ৯৫ পয়সা ও ১০৩ টাকা ৯৫ পয়সা দরে।

উভয় প্রস্তাবেই সরবরাহকারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে মেঘনা সুগার রিফাইনারি লিমিটেড।

আজ, বুধবার (১৪ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়। থাইল্যান্ড থেকে অনলাইনে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) ব্যবস্থায় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে চিনি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রথম প্রস্তাবে ৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি কিনতে ব্যয় হবে ৫১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এতে প্রতি কেজি চিনির দাম পড়ছে ১০২ টাকা ৯৫ পয়সা। ভ্যাট ও করসহ এই দামে ৫০ কেজির বস্তায় চিনি সরবরাহের জন্য মেঘনা সুগার রিফাইনারি লিমিটেডকে সুপারিশ করা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *