ঢাকা: এইইই দিল্লি না ঢাকা! করবা না? মাঝে মাঝে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে ওরা, কী বলবে, কী করবে – দিশা খুঁজে পায় না।
যেই প্রতিবেশি বন্ধু রাষ্ট্র বাংলাদেশকে ডানহাত বাড়িয়ে রেখেছে মুক্তিযুদ্ধ থেকে সেই দেশকে রাজাকারের বাচ্চারা গাল দেয়! রাজাকাররা কি নিজের স্বার্থও চেনে না? এদের মাথায় পাকিস্তানি চাষ হয়, তাই ভালো কথা কানে যায় না।
যাই হোক, ভারত থেকে নতুন ১৮টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী বগি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। প্রথম চালানে ১৮টি বগি এসেছে। বগিগুলো লাল সবুজ রঙে বানানো হয়েছে।
দেশের মৌলভী, মুন্সি এইসব ট্রেনে ভ্রমণ করা হারাম।
বাংলাদেশে প্রবেশের পর দর্শনা কাস্টমসে আনুষ্ঠানিকতা শেষে রেলকোচ গুলো নেয়া হবে সৈয়দপুরের কারখানায়।
আজ, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলওয়ে স্টেশনে বগিগুলো প্রবেশ করে।
১৮টি কোচের মধ্যে রয়েছে দুটি পাওয়ার কার, ১১টি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ইকোনমি শ্রেণির কোচ, তিনটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত চেয়ার কোচ এবং দুটি সাধারণ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কোচ। অত্যাধুনিক সব ব্যবস্থা আছে।
বাংলাদেশের রেলওয়ে কর্মকর্তাদের আশা, নতুন কোচগুলো যুক্ত হলে যাত্রীদের আসনসংকট কমার পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রায় বাড়বে স্বাচ্ছন্দ্য। উন্নত হবে যাত্রীসেবার মান।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২০ মে বাংলাদেশ সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রডগেজ রেলকোচ কেনার জন্যভারতের রাইটস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেচুক্তি করে। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর পুনরায় সংশোধিত চুক্তি হয়।
আজ দর্শনা স্টেশনে পৌঁছানোর পর কোচগুলোর প্রাথমিক পরিদর্শন, শুল্কসংক্রান্ত ছাড়পত্রসহ (কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স) প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
