কেরানীগঞ্জ: কেরানীগঞ্জে নিজ ফ্ল্যাটে যুব মহিলা লীগের নেত্রী ডালিয়া আক্তার সুমিকে জবাই করে বিভৎসভাবে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা!
দেশে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের পাকিস্তানি কায়দায় গণহত্যা চলছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাস্তা ইউনিয়নের রসুলপুর বাজারে সোনালী ব্যাংক ভবনে অবস্থিত নিজের ফ্ল্যাটে তাঁকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
দেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ যেন সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের শিকার না হন, সেটা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
নিহতের বয়স ৫০ হবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ডালিয়া আক্তার সুমা বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও ঢাকা জেলা দক্ষিণ যুব মহিলা লীগের সদস্য ছিলেন। তিনি বাঘাপুর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষিকা হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
তবে প্রায় তিন মাস আগে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফ্ল্যাটের মেঝেতে ডালিয়া আক্তারের মরদেহ পড়ে ছিল। ঘরের মেঝেতে রক্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। সেখানে পায়ের ছাপও দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১২ বছর আগে স্বামী লিয়াকত আলীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর দুই মেয়ে নদী ও লিজাকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন ডালিয়া। ফ্ল্যাটটি তাঁর নিজের কেনা।
দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে তিনি সেখানে একাই থাকতেন।
নিহতের ছোট মেয়ে লিজা বলেন- কী অপরাধ ছিল আমার মায়ের, যে তাকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো? যারা আমার মাকে হত্যা করেছে, সরকারের কাছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
