ঢাকা: দেশটা ছিনতাইকারী, ডাকাতে ভরে গিয়েছে। একের পর এক সব ভয়াবহ ঘটনা সামনে আসছে।
কিছু দিন পরপর নতুন কৌশলের আশ্রয় নেয় ছিনতাইকারীরা। মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে, চলন্ত গাড়ি থেকে হ্যাঁচকা টানে হাতের ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই এখন পুরোনো কৌশল হয়ে গেছে।
ছিনতাইয়ের নতুন ভার্সন হয়েছে ‘সুতা ডাকাতি’। গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর ফ্লাইওভারকেন্দ্রিক ভয়ংকর এই ফাঁদের কাহিনি আঁতকে ওঠার মতো। বেশ কয়েকজন এই সুতা ডাকাতের কবলে পড়েছেন!
রাতের অন্ধকারে নির্জন রাস্তা বা ফ্লাইওভারে বাইকারদের ফেলে ডাকাতি করার জন্য এক শ্রেণীর অপরাধী রাস্তার দু’পাশে অদৃশ্য সুতা বা চিকন তার টাঙিয়ে রাখে।
বাইক নিয়ে যাওয়ার সময় এই সুতা তো দেখা যায় না , সোজা এসে গলায় লাগে, যার ফলে রাইডার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান বা মারাত্মকভাবে আহত হন। তারপরেই হয় ছিনতাই।
প্রশাসন ঘুমায়, প্রশাসন আওয়ামী লীগ ধরে।
রাতে বাইক চালানোর সময় গলায় অবশ্যই মোটা স্কার্ফ, মাফলার বা ভালো মানের উইন্ডব্রেকার ব্যবহার করুন।
এবং সবসময় ফুল-ফেস হেলমেট ব্যবহার করুন এবং রাতে ট্রান্সপারেন্ট (Clear) ভিসর নামিয়ে বাইক চালান।
গতি নিয়ন্ত্রণ করুন রাতে।
জানা গেছে, ফ্লাইওভারগুলোর অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশ, বিশেষ করে যেখানে সড়কবাতি নষ্ট থাকে বা কম আলো থাকে, সেই স্থানগুলোকে অপরাধীরা বেছে নিচ্ছে। গভীর রাতে ফ্লাইওভারের দুই পাশের রেলিংয়ের সঙ্গে শক্ত নাইলনের মোটা সুতাগুলো বেঁধে দেওয়া হয়।
দ্রুতগামী মোটরসাইকেলগুলো ওই রাস্তা অতিক্রমের সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারটি তার কপাল, গলা বা বুক বরাবর আঘাত করে। পুরো ঘটনার আকস্মিকতায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়েন চালক। অনেকের আবার টানানো সুতা গলায় প্যাঁচিয়ে যাওয়ায় মারাত্মক জখম হন।
মাটিতে লুটিয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই চারপাশ থেকে ৫-৭ জন সশস্ত্র ছিনতাইকারী ছুটে আসে। আহত চালকের সঙ্গে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, স্বর্ণালংকার এমনকি মোটরসাইকেলটি পর্যন্ত ছিনিয়ে নিয়ে মুহূর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়।
দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে এই সরকার।
