ঢাকা: ৬ কোটি ভিখারির দেশের খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি শিখবে বাংলাদেশ!? যে তাদের মারলো, তাদের সাথে গাদ্দারি করলো, এখনো করছে- তাদের কাছ থেকে নাকি খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি শিখবে শেষ পর্যন্ত? এর মতো নির্লজ্জ জাতি আর আছে?

বোমা বানানো শেখা শেষ, বাটপারি শেখা শেষ, মানুষ মারা শেখা শেষ – এখন অভুক্ত, সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে সংরক্ষণ শিখবে!

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জঙ্গী আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে।

ইউনূস জঙ্গী আমদানি করেছে দেশে, এবং জঙ্গীর চাষ করিয়েছেন।

দুই দেশের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। এবার শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ মেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।

সোমবার ঢাকায় সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর অফিসে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আফরোজা।

তাঁদের মধ্যে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, খাদ্যশস্য আমদানি, দীর্ঘ মেয়াদে খাদ্য সংরক্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

আফরোজা খানম বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হতে পারে।

এদের লজ্জা করে না পাকিস্তানের নাম নিতে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে খাদ্যমন্ত্রী এই কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। চাল নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে পৌঁছেছে এবং এর মানও সন্তোষজনক ছিল।

কতবড় মিথ্যাবাদী এরা চিন্তা করেন?

ইউরোপ আমেরিকায় নিষিদ্ধ পাকিস্তানী
চাল নামক বিষ বাংলাদেশে আনা হয়েছে !!! এর মান নাকি ভালো?

যে চাল ইউরোপ, আমেরিকা, ব্রিটেনে তার ক্ষতিকর বিষক্রিয়ার কারণে নিষিদ্ধ হলো সেই চাল বাংলাদেশে আমদানি? কেন?

তিনি বুঝি কিছুই জানেন না? পাকিস্তানের পা চাটছেন।

চাল নামক বিষ বাজারে ছাড়ছে আসলে তারা দেশের ও দেশের মানুষের জন্য ক্ষতিকারক নাকি লাভজনক সেটার হিসাব করেছে কি?

পাকিস্তান থেকে চাল আমদানির ফলে বাংলাদেশের মূলত জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি, আর্থিক লোকসান এবং অভ্যন্তরীণ বাজারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তার হিসাব করেছেন তিনি?

পাকিস্তানি চালে মূলত কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ, ক্ষতিকর ছত্রাকজনিত বিষ (এএফলাটক্সিন) এবং আর্সেনিক বা ভারী ধাতুর উপস্থিতি মানবদেহের জন্য প্রধান স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

অথচ এই সরকার চুপচাপ বসে আছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে খাদ্যশস্যের গুণগত মান বজায় রেখে সংরক্ষণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় বাংলাদেশের খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে সহায়ক হবে।
তিনি এ বিষয়ে পাকিস্তানের সহযোগিতা আশা করেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *