সিলেট: ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ি জেলার একটি ফেরিঘাট থেকে ৩৬ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতরা সম্ভবত মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।
ভারতের আসামে একের পর এক অবৈধ বাংলাদেশি আটক করা হচ্ছে। এরা শুধু অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশই করছে না, সেখানে গিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক চক্রে জড়িয়ে ভারতের ক্ষতি করার চেষ্টাও করছে। যা সরকার এবং জনগণের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই ৩৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে গিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
ধুবড়ির সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ দেবাশিস বরার নেতৃত্বে শুক্রবার সকালে ‘জোগমায়া ফেরিঘাটে’ একটি বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি নৌকায় করে ঘাটে পৌঁছানোর পর ওই ৩৬ জনকে আটক করা হয়।
তদন্তকারী এক কর্মকর্তা জানান, নৌকাটিতে প্রায় ১২০ জন যাত্রী ছিলেন। নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর ৩৬ জনকে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
তাদের কাছ থেকে কিছু নথিপত্র এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।আটককৃতদের কাগজ যাচাই করে দেখা গেছে যে, তারা সবাই বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই গ্রুপটি প্রায় তিন দিন আগে মেঘালয়ের ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর তারা দক্ষিণ সালমারা-মানকাচর জেলার হাটসিঙ্গিমারি থেকে নৌকায় করে ধুবড়ির দিকে রওনা হয়েছিল।
দেবাশিস বরা জানান, “আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তারা ঠিক কীভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং কোথায় যাচ্ছিল, তা এখনও পরিষ্কার নয়।”
প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বর্ডার ডিপার্টমেন্ট তাদের পুশব্যাকের (ডিপোর্টেশন) প্রক্রিয়া শুরু করবে।
