রাঙামাটি: থমথমে সাজেক। রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে সহিংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভাইবোনছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সশস্ত্র মহড়া, পর্যটকদের জিম্মি করে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সাজেক পর্যটন সড়ক ও দীঘিনালা সড়কে ১২ ঘণ্টার কঠোর অবরোধ শুরু হয়েছে রবিবার সকালেই।

আজ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সাজেক পর্যটন সড়ক থেকে দীঘিনালা সড়কে এই অবরোধ পালন করা হচ্ছে।

দেখা গেছে, সকাল থেকেই দীঘিনালা থেকে সাজেকগামী কোনো গাড়ি ছেড়ে যায়নি। সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে কঠোরভাবে এই অবরোধ পালিত হচ্ছে।

আর অবরোধের ফলে বাঘাইছড়ি, লংগদু এবং সাজেকের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ অবস্থায় রয়েছে সারাদেশের।

পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটির ঘোষিত এই অবরোধে সাধারণ মানুষও যোগ দিয়েছেন।

গতকাল ৩১ অক্টোবর পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বিন্দু লাল চাকমা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দিনব্যাপী অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

আজকে আরেক অবরোধ শিথিলের ঘোষণার পরেই এই অবরোধের খবর এলো।

কার্বারী এসোসিয়েশন ও সাজেক গনঅধিকার রক্ষা কমিটি বিগত নয়দিন ধরে অবরোধ চালিয়ে আসছে।

এদিকে, আজ পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি জানালো, সাজেক কথিত ২ সংগঠন কার্বারী এসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি নিজেদের স্বার্থের জন্যেই নাকি ১ দিনের জন্য অবরোধ শিথিল করার নাটক মঞ্চস্থ করেছে।

তাদের সহিংস সন্ত্রাসী তৎপরতা, পর্যটকদের ওপর নগ্ন হামলা ও সাজেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে সাজেক সড়কে সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ পালন করছে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি (CHTRC)।

অবরোধে সাজেক ও রাঙামাটির জুম্ম, বাঙালি সহ সর্বস্তরের মানুষ অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছে এবং এর প্রভাবও পড়েছে দীঘিনালা, লংগদু ও বাঘাইছড়ি সড়কে। বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার সকল যান চলাচল, চলছে শুনশান নীরবতা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *