ঢাকা: পুলিশের ওপর আবারো আক্রমণ, গাড়ি জ্বালাও পোড়াওয়ের ঘটনা- যেমনটা হয়েছিলো ২০২৪ এ! শ্রমিকদের আন্দোলন কেড়ে নিচ্ছে রাজাকার। তারপরে সারা দেশজুড়ে সহিংসতা ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে এরা।
ঢাকার মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের নামে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তথা (যিনি সাদা শকুন নামে খ্যাত) গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মো. রাশেদ খান।
এবং তিনি এই ‘অগ্নিসন্ত্রাসের’ উস্কানিদাতা হিসেবে জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তোলেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বক্তব্যে রাশেদ খান বলেন, “মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার যে জঘন্য ঘটনা ঘটেছে, এর দায় জামায়াতের আমির কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। তিনি এই অগ্নিসন্ত্রাসের প্রধান উস্কানিদাতা। বাংলাদেশে বর্তমানে আওয়ামী লীগ যে চক্রান্ত ও অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তার পেছনে রয়েছে জামায়াত। জামায়াতই তাদের এই অপকর্মে ইন্ধন জোগাচ্ছে।”
জামায়াত আমিরের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে রাশেদ খান আরও বলেন, “লংমার্চের মতো কর্মসূচি থেকে তিনি (জামায়াত আমির) বক্তব্য দিয়েছিলেন যে, দাবি আদায় না হলে সবকিছু ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হবে। আবার এখন যখন আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও নৈরাজ্য চালাচ্ছে, তখন তিনি ফেসবুকে পোস্ট করে বলছেন যে সরকারকে কঠোর হতে হবে।”
উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “লংমার্চ থেকে যখন সবকিছু তছনছ করার হুমকি দিয়েছিলেন, তখন কি এই কঠোর হওয়ার কথা মনে ছিল না? আসলে শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনকে পুঁজি করে জামায়াত রাজপথ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে।”
উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেছেন, ‘জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে সাত দফা বাস্তবায়ন করে ছাড়ব। আমরা সরকারের সবকিছু ভেঙে তছনছ করে দেব।’
