আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি বাংলার একটি নিউজ চোখে পড়লো। আর সে সংবাদটি প্রাধান্য পেয়েছে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশের এক অর্বাচীন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবিরের মন্তব্যের কারণেই।

গ্রামবাংলায় একটি ব্যাঙ্গাত্মক কথার প্রচলন আছে। তা হলো- ‘ ছাল নাই কুত্তার বাঘা নাম।’ অর্থ হলো- যে কুকুরের গায়ে চামরা- পশমই নেই তার নাম আবার বাঘা হয়!? তো আমাদের এই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূনেরও সেই ছাল নাই কুত্তার মত হয়েছে।

যিনি ভালো করে বাংলা কথাই বলতে পারেন না, কখন কাকে কোন বিষয়ে কি কথা বলতে হবে কূটনৈতিকভাবে পরিশীলিত ভাষায় সেটিই শেখেনি তাকে করা হয়েছে প্রভাবশালী(!!) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তো সেই অর্বাচীন প্রতিমন্ত্রী হূমায়ূন কি বলেছেন তা একটু দেখি। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনাকে সাধারণ ভ্রমণকারী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের সাথে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় হস্তান্তর চায় বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট দেওয়ার প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এখানে কি শ্বশুরবাড়ি, রংপুর বেড়াইতে আসবে? যে তারে পাসপোর্ট দিবো?”

শেখ হাসিনাকে ‘পলাতক সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা হচ্ছে পলাতক সন্ত্রাসী। হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। তাকে কি নরমাল ট্রাভেলার হিসেবে দেখব…যে পাসপোর্ট দিবো এবং আসেন, এসে আপনার শ্বশুরবাড়ি রংপুর বেড়ায়া যান? তাকে তো হ্যান্ডওভার চাই আমরা।”

বিষয়টিকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কার্যকর প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ফিরিয়ে আনার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন হয় না।

তিনি বলেন, “আমাদের অ্যাকটিভ এক্সট্র্যাডিশন ট্রিটি আছে। সন্ত্রাসী ও অপরাধীদেরকে ধরতে পাসপোর্ট লাগে না, এটা হ্যান্ডওভার। জুডিশিয়াল প্রসেস আছে আমাদের ট্রিটিতে। পাসপোর্ট দেওয়ার কোনো রিকোয়ারমেন্টস নেই।”

২০২৬ সালের শেষভাগে এসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এক অভূতপূর্ব ও নাটকীয় মোড় নিয়েছে ও নিচ্ছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এটি শুধু যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় তা কিন্তু নয়। এটি এখন আন্তর্জাতিক বিষয় হয়ে গেছে।

তা বিএনপি- জামায়াত ও তাদের বাই প্রোডাক্ট রাজনৈতিক দল হিসেবে সমালোচিত দল এনসিপি মুখে যাই বলুক না কেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশর সশস্ত্রবাহিনীর বিমানে করেই ভারতে রেখে এসেছে। সুতরাং তাঁর বিরোধীপক্ষ ও একশ্রেণীর মিডিয়া যতই চিৎকার করুক না কেন যে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন তা কোনভাবেই যুক্তিতে টিকবেনা।

আপাতত ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন যে, তিনি আগামী ডিসেম্বরেই দেশে ফিরতে চান।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, আদালতের মুখোমুখি হতে কিংবা গ্রেপ্তার ও মৃত্যুর ঝুঁকি নিতেও তিনি প্রস্তুত। শেখ হাসিনার এই আকস্মিক ও দৃঢ় ঘোষণা বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতার অলিন্দে এবং মাঠের রাজনীতিতে এক তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের পরবর্তী পর্বের প্রধান অংশীজন বিএনপি ও তাদের সহযোগী ইসলামপন্থী ও অন্যান্য জোটের মধ্যে এই ঘোষণা এক ধরনের প্রচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভীতি ও অস্বস্তি তৈরি করেছে।

একদিকে তাঁকে বন্দী হিসেবে ফেরত চেয়ে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি, অন্যদিকে তাঁর দেশে ফেরার ঘোষণায় আইনি ও কৌশলগত বাধা তৈরির চেষ্টা—এই দুই বৈপরীত্যই প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের মূলধারার একটি বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিকে মাঠের বাইরে রাখার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্র ও দলীয় শক্তি কতটা উদগ্রীব।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সাবেক অবৈধ দখলদার ইউনুসের নেতৃত্বাধীন তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

পলিটিক্সের পলিট্রিক্স সাধারণত আমি খুব বেশি বুঝিনা। তবে সাধারণ জ্ঞানে এটুকু বুঝতে পারছি- শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে পারেন বা না পারেন, দাবার বোর্ডে একটা মোক্ষম চাল তিনি দিয়েছেন। যাতে অনেকেরই ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বার বার ২০১৩ সালের বন্দি বিনিময় বা প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাঁকে ফেরত আনার কথা বলা হলেও, ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান ও আইনি ব্যাখ্যায় এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল রূপ ধারণ করেছে।

ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, শেখ হাসিনা কোনো অনুপ্রবেশকারী বা অপরাধী হিসেবে ভারতে প্রবেশ করেননি; বরং তৎকালীন বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় বিমানে করে তাঁকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

তিনি দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই সেখানে অবস্থান করছেন। ফলে, রাজনৈতিক আশ্রয় বা কূটনৈতিক সুরক্ষার কারণে ভারত সরকার তাঁকে হুট করে কোনো বন্দীর মতো হস্তান্তর করতে আগ্রহী নয়।

এই বাস্তবতায়, বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা এবং ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সমালোচনা করা হচ্ছে, যা মূলত সরকারের নিজস্ব কূটনৈতিক ব্যর্থতা ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ।

গত আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রতিশোধপরায়ণতার এক নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী বর্তমানে কারাবন্দী, বহু নেতাকর্মী নিখোঁজ অথবা রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন, এবং অসংখ্য নেতাকর্মী বাধ্য হয়েছেন দেশান্তরী হতে।

দুঃখজনক বিষয় হলো, বর্তমান প্রশাসনের কাছে দেশে কতজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী জেলে আছেন বা কতজন রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার কোনো সঠিক ও স্বচ্ছ পরিসংখ্যান নেই।

একটি গণতান্ত্রিক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়িত্ব যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা, সেখানে ঢালাও মামলা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট দলের বিশাল জনবলকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বাইরে ঠেলে দেওয়া চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন।

এই ধরনের বিচারহীনতা ও ভীতির পরিবেশ দীর্ঘমেয়াদে দেশের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করছে।

বিএনপির বহুত্ববাদী গণতন্ত্র বনাম রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রতারণা:

যে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক নেতৃত্বে দেশের জনগণ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, সেই দলটিকে রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করা বা তাদের রাজনৈতিক তৎপরতা স্তব্ধ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

রাষ্ট্র সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক চর্চার বুলি আওড়ে দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া এক ধরনের রাজনৈতিক প্রতারণা।

একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো দলকে প্রশাসনিক আদেশে বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নিশ্চিহ্ন করা যায় না। দল নিষিদ্ধকরণের এই সংস্কৃতি বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারণাকেই সমূলে বিনষ্ট করে এবং জনগণের একটি বড় অংশের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করে।

কারণ বিএনপি যদি নিজেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিদার হিসেবে উল্লেখ বা প্রমাণ করতে চায় তাহলে তাদেরকে সে প্রমাণ দিতে হবে। শুধু গলাবাজি করলেইতো হবেনা।

ইসলামপন্থী অপশক্তির উত্থান কিন্তু বিএনপিকে অস্তিত্বের সংকটে ফেলবে। এটি অনিবার্য। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে বর্তমানে আরেকটি বড় আশঙ্কা দেখা দিয়েছে—তা হলো উদারপন্থী ও সেক্যুলার রাজনীতির শূন্যতায় চরমপন্থী বা কট্টর ইসলামপন্থী দলগুলোর দ্রুত উত্থান। এ উত্থান গত ২০২৪ এর ইসলামী জঙ্গী- সেনা ক্যু এর মধ্য দিয়েই গভীরভাবে প্রোথিত হয়েছে।

বিএনপি যদি দেশে একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে চায় এবং ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ইসলামপন্থীদের হাতে চলে যাওয়া রোধ করতে চায়, তবে তাদের রাজনৈতিক কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং তাদের ওপর থেকে অঘোষিত বা আইনি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া বিএনপির নিজস্ব রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্যই জরুরি।

দেশের রাজনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং একটি বহুত্ববাদী সমাজ ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে আওয়ামী লীগের মতো ধর্মনিরপেক্ষ ও ঐতিহ্যবাহী শক্তির উপস্থিতি অপরিহার্য।

আওয়ামী লীগকে সম্পূর্ণ মাইনাস করার নীতি গ্রহণ করলে যে শূন্যতা তৈরি হবে, তা চরমপন্থী শক্তি গ্রাস করবে, যা দিনশেষে বিএনপির জন্যও আত্মঘাতী প্রমাণিত হবে।
সহনশীলতা ও জাতীয় ঐকমত্যের প্রয়োজন অনস্বীকার্য।

কারণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কোনো দলকেই চিরতরে দমন করে রাখা সম্ভব হয়নি। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এবং তা নিয়ে সরকারের যে পিলে চমকানো আচরণ—তা দূর করতে হলে প্রয়োজন রাজনৈতিক সহনশীলতা।

অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সর্বদলীয় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা।

আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচনী মাঠে স্বাভাবিকভাবে অংশ নিতে দেওয়াই হবে দেশের সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের একমাত্র পথ। অন্যথায়, বিভাজন ও বর্জনের এই রাজনীতি বাংলাদেশকে এক অনির্দিষ্ট অন্ধকার ও চরমপন্থার দিকে ঠেলে দেবে।

কারণ আওয়ামীপন্থীদেরকে নির্মূল করার মধ্য দিয়ে এদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বিনষ্ট করার একটি নীলনকশা চলছে অনেকদিন থেকেই।

তা সেই ‘ ৭৫ এর ১৫ আগষ্টে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছে। সেই একাত্তরের পরাজিত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের দোসর পাকিস্তান ও নতুন করে তুরস্কসহ কিছু ইসলামী দেশের নব্য ষড়যন্ত্র চলমান রয়েছে।

সুতরাং গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে, দেশ রক্ষা করতে হলে আওয়ামীলীগের ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। যে বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে এই বাংলাদেশটির জন্ম হয়েছে সেই দলকে নিষিদ্ধ রেখে গনতন্ত্র কায়েম করা হবে সোনার পাথর বাটি’ র মত।

কারণ এ দেশে এখনো অর্ধেকেরও বেশি মানুষ আওয়ামীলীগকে সমর্থন করে। গত আড়াই বছরে সে সমর্থন আরো বেড়েছে। তার প্রমাণ যদি বিএনপি করতে চায় তাহলে আমেরিকার মত একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন দিলেই স্পষ্ট হয়ে পড়বে। তবে সে নির্বাচনের আগে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরী করতে হবে। এই ‘ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ এর কথা কিন্তু বিএনপিই বার বার বলেছে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে।

# ইশরাত জাহান: লেখিকা, প্রাবন্ধিক ও নারী অধিকার সংগঠক।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *