ঢাকা: বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া তো যা বলেছেন, তা যুক্তিযুক্ত। কিন্তু তার এমন কথায় আবার বিএনপি ক্ষেপে যাবে, (হাহাহা)! হাসির কথা না, তবুও হাসলাম।

কারণ বিএনপি মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে। তা নাহলে ইউনূসের যাবার পর, বিএনপি সরকার আসার পর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে যেসব নির্মমতা ঘটেছে, তা ঘটতো না।

পাপিয়া কী বললেন দেখি:

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী শক্তি কখনো বাংলাদেশের মূলধারার নায়ক হতে পারে না উল্লেখ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আশিফা আশরাফী পাপিয়া বলেছেন, আমাদের বোর্ডিং পাস, লন্ডন ভ্রমণ কিংবা ভিসার খতিয়ান দেখানোর কথা বলা হচ্ছে। আমিও স্পষ্ট করে বলতে চাই— রেডি হও জামায়াতে ইসলামী, পাকিস্তানই তোমাদের উপযুক্ত জায়গা।

তোমাদের পাকিস্তানেই পাঠাতে হবে। নিজেদের বোর্ডিং পাস ঠিক করো।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে কথাগুলো বলেন তিনি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

পাপিয়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের স্থান এ দেশে হতে পারে না। মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম কখনো বাদ পড়বে—এমন পরিস্থিতি মেনে নেওয়া হবে না।

জামায়াতে ইসলামের কোনো নমুনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। আর ভুল করবেন না।
রাষ্ট্রে যখন যে সরকার থাকবে, তারা উন্নয়ন করবে। বিএনপিকে স্বৈরাচার বলবেন আর উন্নয়নের ডিও লেটার দেখাবেন তা হবে না। ডিও লেটার দিয়ে সব হয় না।

অবশ্য একটি কথা পাপিয়া ভুল বলেছেন,
পাপিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান অনেক বাকস্বাধীনতা দিয়েছেন। সেই স্বাধীনতার নামে এখন অন্যের স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে।

ইউনূস সরকারের সমালোচনাও করেন পাপিয়া। বিদ্যূৎ সেক্টরে ইউনুস আমলের কর্মকাণ্ডে যে ক্ষতি হয়েছে তার বর্ণনা দেন তিনি। জামায়াত এমপি আমীর হামজাসহ অন্যান্য নেতাদের চারিত্রিক সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

পাপিয়ার অবশ্য মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে বিএনপিকেই প্রশ্ন করা উচিৎ ছিলো। তা বোধহয় আর হয়নি!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *