ঢাকা: ককটেল বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য যেটাই হোক, সেটা জনগণের দেখা কর্তব্য না, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটবে কেন? এটা হচ্ছে মূল প্রশ্ন! এবং জনগণের এই যে ক্ষতি হচ্ছে এক একটা ঘটনায় এর দায় কে নেবে?
অথচ ডিএমপি এমন খাপছাড়া কথা বললেন হঠাৎ করে, যা হাস্যকর বটে।
জনমনে আতঙ্ক তৈরি এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
আজ, রবিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
আকতার হোসেন বলেন, ‘ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে আগুনের প্রতিটি ঘটনা পুলিশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও অঙ্গ-সংগঠনের সদস্যরা রয়েছে।’
এত কিছু যখন জানেন তখন কারো শায়েস্তা হচ্ছে না কেন? দেশের জনগণকে দিনের পর দিন এত আতঙ্কিত থাকতে হচ্ছে কেন?
নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে স্পষ্ট যে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতা ও আতঙ্ক ছড়াতে এসব কাজ করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ডিএমপির অপারেশনাল কার্যক্রম ও পুলিশ মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে।’
‘জননিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং আতঙ্ক দূর করতে ডিএমপির মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটির পাশাপাশি কড়া নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে’—বলেন তিনি।
