ঢাকা: আগামি ১০ নভেম্বর ‘দেশব্যাপী সর্বাত্মক ধর্মঘট’ এর ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ! এবং বাধা দিলে প্রতিহত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।

আজ এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি, স্বস্তি, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা এবং ছাত্রসমাজের শিক্ষার অধিকারের নিশ্চয়তা এবং মানসম্মত, আধুনিক, সার্বজনীন, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দ্রুত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানায়।

তাঁদের দাবিগুলো:

১ . প্রতিহিংসার অবৈধ ট্রাইব্যুনাল ও বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রহসনের রায় বাতিল করতে হবে, সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। ক্যাঙারু কোর্টের সকল অবৈধ রায় বাতিল করতে হবে, সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, রাজবন্দীদের মুক্তি দিতে হবে।

২ . বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।

৩ . সকল শিক্ষার্থীর শিক্ষার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। বহিষ্কারাদেশ বাতিল করতে হবে, সার্টিফিকেট পুনর্বহাল করতে হবে, ক্লাস-পরীক্ষা-আবাসনের অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে হবে।

৪ .বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস-পানি-সারের দাম কমিয়ে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করতে হবে।

৫ . সরকারি চাকরিতে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি, পলিটিকাল স্ক্রিনিং বন্ধ করতে হবে। মেধার ভিত্তিতে সবার চাকরি পাওয়ার গ্যারান্টি নিশ্চিত করতে হবে।

৬ . পাবলিক সার্ভিস কমিশনে দলীয়করণ বন্ধ করতে হবে।

৭ . শিক্ষাখাতে জিডিপির ৬% ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে।

৮ . সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতামুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে।

উপরে উল্লেখিত বাংলাদেশের মানুষের বাঁচার দাবিগুলো আদায়ের লক্ষ্যে আগামি ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ‘দেশব্যাপী সর্বাত্মক ধর্মঘট’ আহ্বান করে।

সর্বাত্মক এই ধর্মঘটে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে, বাস-ট্রাক-রেল-লঞ্চ চলবে না, দোকানপাট খুলবে না, শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে, সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে না, ব্যাংকে লেনদেন হবে না, আদালত বন্ধ থাকবে।

শুধুমাত্র জরুরি সেবা হিসেবে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ারসার্ভিস ও সংবাদমাধ্যম ধর্মঘটের বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *