ঢাকা: বাংলাদেশের বিজয় দিবসের কথা মুখে এনে নিজের রাজাকার পরিচিতিকে অবজ্ঞা করছেন কেনো স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা?
এটি কোনো সাধারণ বার্ষিক অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি জাতিরাষ্ট্রের জন্ম স্বীকৃতির দিন, মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বের দিন, আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের চূড়ান্ত স্মারক চিহ্ন।
তাই বিজয় দিবসকে ঘিরে প্রতিবছর যে কুচকাওয়াজ আয়োজন হতো সেটা সমগ্র বিশ্বের সামনে বাংলাদেশ নিজেকে তুলে ধরত, বাংলাদেশ যে একটা স্বাধীন রাষ্ট্র সেটার পুনঃ মঞ্চায়ন ঘটত কুচকাওয়াজের মাধ্যমে, যা ছিল দেশের আত্মমর্যাদার বহিঃপ্রকাশ।
এই প্রদর্শন শুধু শৃঙ্খলা নয়, এটি এমন একটা বার্তা দেয় যে বাংলাদেশ পরাজিত হয়নি।
অথচ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যখন ঘোষণা দেন যে এবারও বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ হবে না এবং যা গতবারের ধারাবাহিকতা বহন করছে। তখন বিষয়টা শুধু একটি অনুষ্ঠান বাতিল হিসাবে দেখা যাবেনা। বরং এটা রাষ্ট্রীয় মর্যাদাকে নিঃশেষ করার ইঙ্গিত বহন করে।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন হবে এবং তা ঘিরে কোনো নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা নেই বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মহান বিজয় দিবস-২০২৫ উদযাপন সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে ঘিরে দেশে কোনো অস্থিরতা নেই। বিজয় দিবসকে ঘিরেও কোনো সমস্যা হবে না।’
তিনি আরও জানান, বিজয় দিবসের কর্মসূচিতে কোনো পরিবর্তন নেই। আগের মতো সব কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে, তবে গতবারের মতো এবারও প্যারেড অনুষ্ঠিত হবে না।
