ঢাকা: ইউনূসের সংস্কারের দারুণ সব নমুনা দেখছে বাংলাদেশ। কী যে এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে দেশজুড়ে! মৃত্যু ছাড়া কোনো খবর নেই। আর সেসব কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়।
হেফাজতে মৃত্যু কোন মানবাধিকার এর সংজ্ঞায় পড়ে? শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সরকার প্রধান এখন কোন শান্তির বার্তা দিচ্ছেন বিশ্ববাসীকে?
তিনি তো সারা বিশ্বে পরিচিত মুখ (ছিলেন), বিশ্ব খেলোয়াড় তিনি। বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে বলে আসেন ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়াচ্ছেন, অথচ কী করছে তার নমুনা দেখছে সারা বিশ্ব।
সিরাজগঞ্জে ডিবি পুলিশের হেফাজতে মারা গেলো এক আসামি! হত্যা মামলার সন্দেহভাজন এক আসামির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
তবে পুলিশ বলছে, হেফাজতে থাকা আসামির শ্বাসকষ্টজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ যাই বলুক, ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করুক, চিকিৎসক জানিয়েছেন, আসামির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। অর্থাৎ তাকে যে আঘাত করা হয়েছে এটা পরিষ্কার।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
নিহতের নাম শাহাদত হোসেন মুকুল (৪৫)।
সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হেমাদ্রি শেখর সাহা এই অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে বলেছেন, সাদা পোশাকে একদল পুলিশ সদস্য বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শাহাদতকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভর্তির সময় তার হাত ও পায়ে ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। এদিকে, ক্ষত দেখে জানতে চাইলে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাটিকে পাবলিক অ্যাসল্ট বলে দাবি করেন।
এর দায় কীভাবে এড়াবে অন্তর্বর্তী সরকার আর প্রশাসন?
হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করার কথা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তবে এসবের বিশ্বাস নেই জনগণের।
জনগণ দাবি করছে, এইভাবেই মেরে ফেলা হচ্ছে মানুষ। আওয়ামী নেতাকর্মীদের কারাগারে হত্যা চলছে। সব মেটিকুলাস ডিজাইন।
