চট্টগ্রাম: আহ! কাঁহাতক আর সহ্য করা যায়!? হিন্দুদের আর কোথাও যাবার জায়গা নেই। এই দেশে জন্ম, বাপ দাদারা এইদেশে জন্মেছে, মরেছেও। ঐ বেদনা সহ্য করেই মরেছে।

এখনো যে কয়টা ঘর আছে হিন্দু, তাদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিচ্ছে হিন্দু বিরোধীরা‌। আর জঙ্গী ইউনূস হাতে তালি দিচ্ছেন।

হিন্দুরাও তোএদেশেরই মানুষ, প্রতিটি সেক্টরে সীমাহীন অত্যাচার আর কতদূর সহ্য হয়?

সাজানো গোছানো একটা দেশ নষ্ট করে ফেললো কিছুসংখ্যক পিশাচেরা তাদের এদেশীয় কূপমন্ডুক চাকরবাকর দিয়ে।

এখানে নিশ্চয়ই তারা ভেবেছে হিন্দুদের ভোট তো আর তাদের দোসররা পাবেনা তাই সহজ বুদ্ধি -দাও পুড়িয়ে! আশ্র‍য়, মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকলে,পেটে ভাত না থাকলে, আয় বরকত না থাকলে যা বলা হবে তা শুনতে/ করতে বাধ্য হবে।

এই ফন্দি এঁটেছে জামাত শিবির।

এক রাতেই ছাই হয়ে গেল পাঁচটি পরিবারের সব স্বপ্ন। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ১০নং আহলা কড়লডেঙ্গা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের টোডা পাড়া (হিন্দুপাড়া) — সোমবার গভীর রাতে যেন এক বিভীষিকার নাম হয়ে উঠল।

হঠাৎ একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত… মুহূর্তের মধ্যেই লেলিহান শিখা গ্রাস করে ফেলে আশপাশের সবকিছু।

জানতে পারা গিয়েছে, জিশু, বাসু, ছোটন, সুমন ও সুজন—এই পাঁচটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এবং চারটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েজেঊ, তিনটি গোয়ালঘর ভস্মীভূত, আগুনে পুড়ে মারা গেছে চারটি নিরীহ গরু‌। অবলা পশুর চিৎকার , আহারে!

এর বিচার পাওয়ার কোনো আশা নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *