সাতক্ষীরা: কথায় আছে, শিশু, পশুপাখি, ফুল যে না ভালোবাসে সেই ব্যক্তির পৃথিবীতে খুন করতে বাঁধবে না।
পাবনার ঈশ্বরদীতে একজন নারী, মানুষ মুখোশধারী অমানুষ, বস্তাবন্দি করে ৮টি কুকুরছানা মেরেছেন।
তারপর খাঁচায় বন্দি করে একটা বিড়ালকে আগুনে পুড়িয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। বিড়ালের আকাশ ফাটা আর্তনাদে খোদার আরশ পর্যন্ত কেঁপেছে। তবুও রেহাই পায়নি।
আর তারপর সরিষা ক্ষেতে ক্ষতিকর কীটনাশক, বিষ, প্রয়োগের ফলে এক খামারির ১০৮ কবুতর মরেছে।
কী হচ্ছে এসব?
আর মৌলবাদীরা বলে, এ-দেশে ভূমিকম্প হয় গান বাজনার কারণে, মদ খাওয়ার কারণে।
এত এত অসভ্য জঘন্য ঘটনার পরও এরা ধর্মের মিথ্যা আলাপ নিয়ে পড়ে থাকে। মানুষকে মিথ্যা সান্ত্বনা দেয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পদ্মশাখরা এলাকায় বিষ প্রয়োগে ১০৮টি কবুতর হত্যা করা হয়েছে ।
এ ঘটনায় খামারের মালিক মো. রায়হান কবির (২২) সদর থানায় এক ব্যক্তিসহ অজ্ঞাত আরও দু-তিনজনকে আসামি করে এজাহার দিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত রায়হান কবিরের দাবি, এতে তাঁর প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাতটার দিকে রায়হান কবিরের খামারের কবুতরগুলো উড়ে বাইরে যায়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন মানা (৪৫) একটি মৃত কবুতর নিয়ে তাঁকে জানান, পাশের সরিষাক্ষেতে আরও অনেক কবুতর মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। কিছু কবুতর তখনও ছটফট করছিল।
রায়হান ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, তাঁর খামারের বিভিন্ন প্রজাতির ১০৮টি কবুতর ক্ষেতে ছিটানো বিষাক্ত রাসায়নিক খেয়ে মারা গেছে।
এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিবেশী মো. ইসমাইল গাজী (৩২) ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপনে ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ করেছেন। তারপরেই এই অবস্থা।
সেই ব্যক্তি আরো হুমকি দিয়ে কথা বলতে থাকেন।
রায়হানের অভিযোগ, এ বিষয়ে ইসমাইলের কাছে জানতে চাইলে তিনি উল্টো হুমকি দিয়ে বলেন, ‘কবুতর মেরেছি, প্রয়োজনে আরও মারব।’
