ঢাকা: আওয়ামী লীগ ছাড়া এই নির্বাচনের কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না।

এই বিষয়ে বিবৃতি প্রকাশ করা হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা থেকে।

১৩৫ জন দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘একপাক্ষিক ও অগ্রহণযোগ্য’ মন্তব্য করে নতুন করে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি বড় রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া এ নির্বাচন গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থি এবং এতে জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে না।

যৌথ বিবৃতিতে সাংবাদিকরা বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক হচ্ছে না।

বড় রাজনৈতিক দলসহ একাধিক প্রগতিশীল দলকে কার্যত নিষিদ্ধ রেখে নির্বাচন আয়োজন গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনার পরিপন্থি।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের একপাক্ষিক নির্বাচন রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার বদলে সংকট তৈরি করবে। অতীতেও এর উদাহরণ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

সাংবাদিকরা বলেন, রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয় করে এমন একটি নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে, যা জাতীয় সংকট ও নৈরাজ্য ডেকে আনতে পারে। এ ধরনের আয়োজন সমাজে অস্থিরতা বাড়ায় এবং বিভক্তির ক্ষত গভীর করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়বদ্ধতা ও অঙ্গীকার প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। সরকারসমর্থিত একাধিক দলের প্রতি প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে।

পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ ব্যয় করে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানোর অভিযোগও তোলা হয়।নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়াও প্রশ্নবিদ্ধ।

এতে বলা হয়, কমিশন দেশের সব রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে গঠিত হয়নি এবং নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের তালিকা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মহলের পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *