রাজশাহী: রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে পড়া দুই বছর বয়সী শিশুটিকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ইতিমধ্যে ১৮/২০ ঘণ্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেছে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সাজিদ নামের শিশুটিকে উদ্ধারে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে উদ্ধার কাজ চালালেই তো হয়না, কতটুকু করতে পারছে সেটাই আসল।
বিপদের বিষয়ে সরকার কখনোই ভাবে না। কখনো কি সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব কি এটা বুঝতে পারবে না? স্থানীয় প্রশাসন কি কি বিষয়ে নজর রাখতে হবে তা কি বুঝবে না?
একটা ঢাকনা বানাতে এক হাজার টাকা খরচ হতো। এখন উদ্ধার অভিযানে কয়েক লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। কেন এই রকম দুর্ঘটনায় বারবার?
আমাদের তো কোন প্রযুক্তি ও দক্ষতার দরকার নেই, শুধু চেতনা থাকলেই হবে। চেতনা গিলে খেলে সব সমস্যার সমাধান হবে।
আর কেউ কিছু ভালো করার চেষ্টা করলেই তাকে বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে সুশীল সেজে যাবো। উন্নয়নের নামে দুর্নীতি, লুটপাট ও পাচারকারীদের আমরা মাথায় তুলে নাচব। এটাই বাঙালির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।
এই শিশুটি কি আদৌ জীবিত থাকার কোন লক্ষ্মণ আছে? জনগণ শোকাতুর হয়ে পড়েছে।
গভীর নলকূপ এর যে প্রচন্ড পানির চাপ ও মাটির মাইনাস ডিগ্রি ঠান্ডার চাপ তাতে সুস্থ সবল মানুষ ও বেশিক্ষণ বাঁচা সম্ভব না। আর শিশুটি কত ওপর থেকে নিচে পড়েছে।
সবাই দোয়া করছে শিশুটির জন্য।
পুলিশ এবং স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, গতকাল বুধবার দুপুর একটার দিকে তানোর উপজেলার কোয়েল হাট পূর্বপাড়া গ্রামে আগেই খনন করা একটি গর্তে পড়ে যায় শিশু সাজিদ।
তানোর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনুজ্জামান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট এখন কাজ করতেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৫০ জন পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”
ঘটনাস্থলে মূল গর্তের পাশ থেকে মাটি কেটে পথ তৈরি করে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
শিশুটি ৩০ থেকে ৩৫ ফুট নিচে পড়েছে ধারণা করা হচ্ছে।
