ঢাকা: বাংলাদেশের সংকটকালে পাশে দাঁড়িয়ে আসছে ভারত।তবে এখনো তাদের মুখে অবশ্য শোনা যাচ্ছে, মাগনা তো নিচ্ছি না!

ভারতের আসামের নুমলিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়েছে।

দুই দিনে (সোম এবং মঙ্গলবার) মোট ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে।

ডিপো সূত্রে জানা গেছে, চলতি মার্চ মাসে এটি প্রথম চালান। এ মাসে আরও প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি)।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার শিলিগুড়ি হয়ে নির্মিত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে এই জ্বালানি তেল আসছে।

কথায় কথায় ভারত বিরোধী শ্লোগান দিয়ে দেশে অরাজকতা করা। জামাত-জামাত-শিবির-এনসিপি নামক গুপ্ত সন্ত্রাসীরা ভারতের ডিজেল ছাড়া, পিঁয়াজ ছাড়া, কাপড় ছাড়া থাকতে পারবে?

শেখ হাসিনার শাসন আমলের সময় একশ্রেণির গুজববাজ ও বট বাহিনী প্রচার করেছিল—এই পাইপলাইন দিয়ে নাকি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সব গ্যাস ভারতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, তাই জন্যেই নাকি দেশে গ্যাস সংকট!

না জেনে, না বুঝে অনেকেই সেই মিথ্যা বয়ানকে সমর্থন করে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ায়। কিন্তু বাস্তবতা আজ দেশবাসী দেখছে।

কী উপকার করে গিয়েছেন হাসিনা।

এটি শেখ হাসিনার উদ্যোগে তৈরি করা ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন, যার মাধ্যমে ভারত থেকে সরাসরি তেল আনা সম্ভব—তাও প্রায় কোনো পরিবহন খরচ ছাড়া। যাতে কোটি কোটি টাকা পরিবহন খরচ বেঁচে যাবে।

সত্যকে যতই আড়াল করার চেষ্টা করা হোক, সময় শেষ পর্যন্ত বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে আসে।

যারা ভারত বিরোধিতা করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলে, তারা কি আজ বয়কট ইন্ডিয়া বলে শেখ হাসিনার এই পাইপ লাইন বন্ধ করে দেবে?

প্রতিবেশী দেশের সাথে সবসময় সুসম্পর্ক রেখেই চলতে হয়। আর যেখানে ভারতের মতো বন্ধু।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *