ঢাকা: রাজনীতি খেলনা নয়, রাজনীতি মানে সচেতনতা, জনসেবার পারফর্মেন্স। একজন সরকারপ্রধানের ‘প্রায়োরিটি’ নির্ধারণ দেখে বোঝা যায়, তিনি সংকট মোকাবিলা করার ক্ষমতা কতটুকু রাখেন।
দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু, তেল-গ্যাস-ডিজেলের জন্য মানুষের হাহাকার, অব্যাহত আছে লোডশেডিং সমস্যা, কর্মসংস্থানহীনতা তো আছেই।
যখন বাংলাদেশের প্রত্যেক মুহূর্ত কঠিন হয়ে উঠছে, তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিনেমা দেখছেন। এবং এখানেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেন একজন শেখ হাসিনা, একইসাথে উন্মোচিত হয় বর্তমান সরকারের দৈন্যদশা।
দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ২৮ মার্চ পর্যন্ত অন্তত ৫৬ জেলায় হাম শনাক্ত হয়েছে।
সরকারি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে সংক্রামক রোগটির সারা দেশে ব্যাপক আকারে বিস্তারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
এর মধ্যে কিছু অঞ্চল হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার বেশি দেখা যাচ্ছে রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগে।
এই অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন সব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
দেশে শিশুদের মধ্যে হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, আপৎকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং হামের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরাধীন সকল স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি (অর্জিত ছুটি ও নৈমিত্তিক ছুটি) বাতিল করা হয়েছে।
