ঢাকা: টোকাই তাজুল ইসলাম যে তৃতীয় শ্রেণীর উকিল তা দেশবাসী বহু আগেই জানে। জঙ্গি গোষ্ঠীর অবৈধ ও ক্যাঙ্গারু ট্রাইবুনালে নিজের মন মর্জিমতো সব চলেছে।
মেট্রোরেলে আগুন দিলো,পুলিশ মারল জঙ্গি সমন্বয়ক। আর আদালতে চীফ প্রসিকিউটর টোকাই তাজুল ইসলাম বলেছেন -মেট্রোরেলে নাকি আগুন দিয়েছেন শেখ হাসিনা? এইরকম বহু মিথ্যা কথা তাঁর ঝুড়িতে।
অপশক্তিগুলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন সুবিধাজনক জায়গায় অবস্থান নিয়েছিল তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করা হচ্ছে।
স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি তাজুল ইসলাম দেশকে বিক্রি করে পাকিস্তানের একটি অঙ্গরাজ্যে পরিণত করার অপচেষ্টা করছিল। তাঁর সাথে মিলেছিলো বাকি অপশক্তিগুলো।
সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা অফিস আদালত এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকে জামাতের শক্তিশালী ঘাঁটিগুলো ভেঙে দিতে না পারলে দেশের অবস্থা খারাপ থেকে খারাপ হবে।
দেশবাসী দেখেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের চিফ প্রসিকিউটর সেজে তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন।
এমনকি শেখ হাসিনাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে অতি দ্রুত তারা একটি ক্যাঙ্গারো কোর্টের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড আদেশ দিয়ে ফেলেছে।
এই তাজুলকে হটানো হলো।
আবার এই রাজাকারদের আইনজীবী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদ্য সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, তিনি আনন্দ নিয়েই যাচ্ছেন।
আজ সোমবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তাজুল ইসলাম।
উল্লেখযোগ্য যে, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদ থেকে তাজুল ইসলামকে আজ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর জায়গায় নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজকে বলছি, আমি প্রত্যেকের ওপরেই সন্তুষ্ট। আজকে একটা আনন্দ নিয়েই যাচ্ছি। যত দিন দায়িত্ব পালন করেছি, প্রত্যেককে আমাকে হেল্প করেছেন। আমি আশা করব, যিনি চিফ প্রসিকিউটর আসছেন, তিনি একই ধরনের সহযোগিতা পাবেন, তিনিও সফল হবেন। বাংলাদেশকে সবাই মিলে আমরা সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।’
তাজুল ইসলাম আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক সরকার, কোনো নির্বাচিত নতুন সরকার যখন দায়িত্ব নেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় তারা পছন্দের লোকজন বসাবে। এটা হচ্ছে স্বাভাবিক নিয়ম।
তাজুল ইসলাম বলেন, একদল যখন ক্ষমতার থেকে চলে যায়, তিনি তখন এখানে নিয়োজিত হয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। এখন নতুন সরকার এসেছে। তারা তাদের কাজের সুবিধার্থে পছন্দের লোককে এখানে বসিয়েছে। তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা আছে। তারা নিশ্চয়ই সে অনুযায়ী এখানে লোক বসিয়েছে।
